নিজস্ব প্রতিনিধি, হুগলী - বহুদিন ধরেই উত্তরপাড়া পুরসভা এলাকার রাস্তাঘাট নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে। খানাখন্দে ভরা রাস্তা, নিকাশি ব্যবস্থার দুরবস্থা, বৃষ্টিতে জল জমে চরম ভোগান্তি। এই অভিযোগ নতুন নয়। কিন্তু এবার সেই ক্ষোভই প্রকাশ্যে আনলেন শাসকদলেরই কাউন্সিলর উৎপলাদিত্য ব্যানার্জী। তাঁর সরাসরি স্বীকারোক্তি রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তৈরি করেছে।

সূত্রের খবর , উত্তরপাড়ার বেশ কয়েকটি রাস্তার মেরামতের টেন্ডার ইতিমধ্যেই ডাকা হয়েছে। কাজের অর্ডার জারি হলেও বর্ষার কারণে তা শুরু করতে সমস্যা হচ্ছে। বিশেষত জিটি রোড ও টি এন মুখার্জি রোডে বড়সড় কাজের পরিকল্পনা রয়েছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে শাসকদলের কাউন্সিলর উৎপলাদিত্য ব্যানার্জি স্পষ্ট জানান, “পুরসভার দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণেই আজ এই ভয়াবহ পরিস্থিতি। মানুষ ট্যাক্স দিচ্ছেন, অথচ তার সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না। রাস্তা, নিকাশি, আলো কোনও দিকেই উন্নয়ন নেই। প্রতিদিন মানুষ অভিযোগ করছেন, কিন্তু প্রশাসন কর্ণপাত করছে না। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে লজ্জা লাগছে। সাধারণ মানুষের দাবিদাওয়া মেটাতে না পারলে প্রতিবাদ করেই এসেছি, ভবিষ্যতেও প্রতিবাদ করে যাব।”

৪ নং ওয়ার্ডের পৌরপ্রতিনিধি ও বিরোধী দলনেতা প্রবীর কংসময়ী জানান, “হিন্দমোটর উত্তরপাড়ার বিভিন্ন রাস্তা ইতিমধ্যে নানা প্রকল্পের জন্য কাটা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে ঢালাইও উঠে যাচ্ছে। আমরা পৌরপ্রধানকে জানিয়েছি, তিনি আশ্বাস দিয়েছেন পুজোর আগেই রাস্তাগুলি পিচ দিয়ে মেরামত হবে। যদি তা না হয়, আমাদের দল দায়িত্বপূর্ণভাবে এই বিষয়ে সোচ্চার হবে।” বিজেপি প্রসঙ্গে তার প্রতিক্রিয়া ছিল, “আজ যারা বিজেপি করছে, কাল তারাই তৃণমূল করেছে। কোনও ফারাক নেই। কাটমানি নিয়ে যারা চিৎকার করছে, তারা যখন ভাগ পেত, তখন কিছু বলেনি। ভাগ না পেয়ে বিরোধিতা শুরু করেছে।”

উত্তরপাড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খোকন মন্ডল জানান, “বোর্ড মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাস্তা সংস্কারের কাজ পুজোর আগেই হয়ে যাবে। রাজ্য সরকার জিটি রোডের কাজ পুজোর আগে শুরু করবে। আর টি এন মুখার্জি রোডের কাজ পুজোর পর এভার ব্লকের বিশেষ ইট দিয়ে হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কিছুটা দেরি হয়েছে। তবে রাজ্যসরকার ফান্ড দিচ্ছে, প্রশাসনের দায়িত্ব সঠিকভাবে কাজ শেষ করা। ড্রেনের গভীরতা, রাস্তার উপকরণের মান থেকে শুরু করে সবকিছুর উপর ইঞ্জিনিয়ার ও PWD-র নজরদারির জন্য আমি বিশেষভাবে অনুরোধ করেছি।”

সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়