নিজস্ব প্রতিনিধি, হুগলী - দুর্ঘটনায় ভেঙে গেছে বাঁ হাত, দীর্ঘ ২০ দিন কোমায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই। কিন্তু মনের জোরকে হাতিয়ার করে এক হাতেই দুর্গা প্রতিমা গড়ে চলেছেন পোলবার বিরেন্দ্রনগরের শিল্পী ধনঞ্জয় মিশ্র।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, ২০১৫ সালে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ধনঞ্জয়ের জীবন বদলে দেয়। বাইক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে কোমায় চলে যান তিনি। মাথা, কাঁধ ও বাঁ হাতে চোট লাগে মারাত্মকভাবে। বাঁ হাত প্রায় অকেজো হয়ে গেলেও হাল ছাড়েননি শিল্পী। মৃত্যুর সঙ্গে ২০ দিন লড়াই করে ফেরেন জীবনে, আর তারপরই শুরু হয় তার নতুন যুদ্ধ। এক হাতেই প্রতিমা গড়ার লড়াই।

ধনঞ্জয়ের হাতে খড়ি ছোটবেলাতেই। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে মৃৎশিল্পীদের কাছ থেকে দেখে দেখে শেখেন মূর্তি গড়ার কাজ। ধীরে ধীরে নিজের হাতেই তৈরি করতে থাকেন দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কালী, গণেশ, জগদ্ধাত্রীসহ নানান প্রতিমা। ২০০৩ সালে আর্ট কলেজ থেকে উত্তীর্ণ হন। বর্তমানে তিনি মাটির পাশাপাশি সিমেন্ট ও ফাইবারের মূর্তিও তৈরি করেন। এ ছাড়াও প্রায় ৬০ জন ছাত্রছাত্রী তার কাছে আঁকা শেখেন।
এই দুর্গোৎসবেও তিনি এক হাতে তৈরি করছেন একাধিক প্রতিমা। বাঁশ কাটা থেকে কাঠামো বাঁধা, খড় বসানো থেকে মাটি দেওয়া, সবটাই করেন নিজের হাতে। তবে প্রকৃতির বিরূপ আবহাওয়া এবার তার দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে। টানা বৃষ্টিতে প্রতিমার গায়ের মাটি খসে পড়ছে, আবার নতুন করে গড়তে হচ্ছে। তবুও হাল ছাড়তে নারাজ শিল্পী।

ধনঞ্জয়ের কথায়, “এক হাতে কাজ করতে খুব কষ্ট হয়, তবে মনের জোরেই আমি এগোই। আমার ভরসা শুধু তারামা আর কৃষ্ণ। ছোট থেকেই হার মানিনি, এখনও চাই না হারতে।”
তার স্ত্রী সুদীপ্তা মিশ্র প্রতিমা সাজানোর কাজে তাকে সাহায্য করেন। দেবীর পায়ে আলতা পরানো, মাটির গয়না কিংবা শাড়ি পরানো, সবই সামলান তিনি। সংসার, স্বামী আর শিল্প সব মিলিয়ে একসঙ্গে এগিয়ে চলছেন তারা।
এক হাতে প্রতিমা গড়ে সমাজকে বার্তা দিচ্ছেন ধনঞ্জয় মিশ্র। ইচ্ছাশক্তি থাকলে জীবনের সবচেয়ে বড় বাধাও টপকে যাওয়া যায়।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়