নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর পবিত্র দিনে ঐতিহ্যের পথে শুরু হলো বড়মার কালীপুজোর আনুষ্ঠানিক পর্ব। সকাল থেকেই ভক্তদের ঢল, ঢাকের তালে তালে মন্দির চত্বর ভরে উঠেছে ভক্তিমুখর আবহে। ডামাডোল, শঙ্খধ্বনি আর প্রদীপের আলোয় আজ সম্পন্ন হলো খুঁটি পুজো বা কাঠামো পুজো যার মাধ্যমেই প্রতিবছর শুরু হয় বড়মার কালীপুজোর সূচনা।

সূত্রের খবর, এই শতাব্দীপ্রাচীন পুজো এবার পা রাখল ১০২ বছরে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, বড়মার আশীর্বাদ লাভের আশায় দেশ বিদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ এই সময় এসে ভিড় জমান। ভক্তদের চোখে একটাই আকুলতা। বড়মার কৃপায় মঙ্গল ও শান্তি।

অন্যদিকে, বিশাল জনসমাগম ও নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে আজ কাঠামো পুজোর সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক, পুলিশ কমিশনার মুরলিধর শর্মা, ডি.সি. নর্থ গণেশ বিশ্বাস, ডিসি ট্রাফিক অম্লান কুসুম ঘোষ সহ পুলিশের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক। কমিশনার নিজেই ঘুরে দেখেন অলিগলি ও পুজো মণ্ডপ ঘিরে নিরাপত্তার প্রস্তুতি। ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল ও নজরদারি, সবদিকেই কড়া নির্দেশ দেন তিনি।

কালীপূজো কমিটির নৈহাটি সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য জানান, “ আমাদের নৈহাটিবাসীর কাছে লক্ষ্মী পুজোর দিন থেকেই খুঁটি পুজোর মাধ্যমে কালীপুজোর সূচনা হয়ে যায়।

সকল দর্শনার্থীদের জন্য অনুরোধ তারা যেন আগের দিন পুজো দিয়ার দেয় কারণ ওইদিন বাইরে থেকে প্রচুর পরিমাণে বাইরে থেকে দর্শনার্থীদের ভিড় হবে, তাতে নৈহাটিহাটির মানুষের অসুবিধে হতে পারে। এছাড়াও নিরাপত্তা নিয়ে ভাবার কোনও বিষয় নেই, প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, পাশাপাশি আমাদের এখানকার সদস্যরাও থাকবে।”

পুরপ্রধান অশোক চট্টোপাধ্যায় জানান, “শহর এখন উৎসবমুখর। বড়মার পুজো ঘিরে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করছি।অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর মনোনিয়া মুখ্যমন্ত্রীর অনুদানে বড়নার পুজো আরও বড় আকার নিয়েছে।আশা করছি শারদীয়ার মতো নৈহাটির কালীপুজো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।”

পুলিশ কমিশনার মুরলিধর শর্মা জানান, “এইবছর আমরা বিশেষ নিরাপত্তার সঙ্গে একটা সার্কুলেশন চালু করার পরিকল্পনা করেছি আগে থেকেই, যাতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনোরকম আপস না করতে হয়।

আমরা একটা বৈঠক গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি যেখানে রেলওয়ে পুলিশ থেকে শুরু করে জিআরপি সমস্ত ডিপার্টমেন্টের সদস্যদের কড়া নজরদারি রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি আমরা ড্রোন , একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা রাখার ব্যবস্থাও করেছি।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়