নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - প্রতিদিনের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র সম্বল হঠাৎ ভেঙে পড়ল। অভিযোগ, শান্তিপুর কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রশাসন ও পুলিশ সহযোগিতায় কলেজ সংলগ্ন রাস্তার পাশে থাকা সকল দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দোকানদাররা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , তিন মাস আগে প্রতিটি দোকানদারকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, যাতে তারা তাদের দোকান সরিয়ে নেয়। কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, এই দোকানগুলো কলেজের সম্পত্তি সংলগ্ন স্থানে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছিল। তবে নোটিশ পাওয়ার পরও দোকানদাররা দোকান সরায়নি। অবশেষে শনিবার সকালে প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে এই ধ্বংসাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

জানা গেছে, ভাঙচুরের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের দোকান। কেউ চায়ের দোকান চালিয়েছেন ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে, কেউ আবার ইলেকট্রিকস বা অন্যান্য সামগ্রীর দোকান চালাতেন। সকল দোকানই জে.সি.পি. ও শান্তিপুর পুলিশ সহযোগিতায় ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে দোকানদারদের দাবি, এই জমি কলেজের তত্ত্বাবধানে নেই, এটি প্রাইভেট মালিকানার জমি। তারা নোটিশ পাওয়ার পরও আদালতে ১৪৪ ধারা জারি করিয়ে নিজেদের দোকান রক্ষা করেছেন। কিন্তু আদালতের নির্দেশকে উপেক্ষা করে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বিধায়ক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দোকান ভেঙে দিয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কলেজ কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তারা উচ্চ আদালতে পুনরায় অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

শান্তিপুরের সেক্রেটারি ডঃ সুব্রত রায় জানান, “ আমরা এসবিও, ডিএম, বিডিও সবার সম্মতিতে এই কাজ করছি। বর্তমানে দোকানদাররা নিজেদের জিনিস সরিয়ে নিয়ে গেছে, যেগুলো বাকি আছে সেগুলো আমরা নিয়ম মেনে সরিয়ে দিচ্ছি। “

স্থানীয় মহিলা দোকানদার অসীমা সরকার জানান, “২৫ বছর ধরে এখানে রুটির দোকান ছিলো। পুরো পরিবারের পেট চলত এই দোকান মারফত। আজ কলেজ কর্তৃপক্ষ ও এমএলএ পরিকল্পিত ভাবে ভেঙে দিল দোকানটা। ১৪০ ধারা অনুযায়ী তারা এটা করতে পারত না।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়