নিজস্ব প্রতিনিধি, হুগলী - জগদ্ধাত্রী পুজো আসছে, আর সেই পুজোকে সামনে রেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠিত হল গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগি, জেলাশাসক মুক্তা আর্য্য, স্থানীয় পৌর কর্তৃপক্ষ, বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিক এবং সমস্ত পুজো কমিটির সদস্যরা।

সূত্রের খবর, চন্দননগরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পুজো কমিটির বিভিন্ন আবেদন ও অনুরোধগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ও পাশাপাশি সেগুলো সমাধানও করা হয়েছে। বিশেষ ঘোষণাস্বরূপ বলা হলো, এই বছর শোভাযাত্রার দিন আর বিদ্যুৎ বন্ধ করা হবে না। প্রতি বছর শোভাযাত্রার সময় কয়েক মিনিটের জন্য বিদ্যুৎ বন্ধ হতো। তবে দুবছর আগে শুরু হওয়া আন্ডারগ্রাউন্ড কেবল বসানোর কাজ শেষ হওয়ায় এবার পুরো শোভাযাত্রায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন থাকবে।এ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ দপ্তরের রিজিওনাল ম্যানেজার মধুসূদন রায় জানান, “নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পরিষেবা নিশ্চিত করা হয়েছে।”

নিরাপত্তার জন্য শোভাযাত্রার পথে সিসিটিভি নজরদারি বাড়ানো হবে এবং ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হবে। গোয়েন্দা পুলিশ এবং সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। পুলিশ এসিস্টেন্স বুথের দায়িত্বে থাকবেন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। জলের উপর মণ্ডপ বা স্টেজ তৈরি করতে চাইলে পূর্ত দপ্তরের অনুমতি নিতে হবে।

পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগি বলেন, “এবার আরও বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুজো কমিটিগুলোকে অনুরোধ করা হয়েছে যে রাস্তায় দীর্ঘ সময় ধরে ডিজে বাজানো বা লেসার শো না করা হোক। ছোটখাটো ঘটনা ঘটলে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো বন্ধ করে সরাসরি পুলিশকে জানাতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “আজকের সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে যে কোনো ঘটনা দেশের বাইরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”

অন্যদিকে মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন বলেন, “জগদ্ধাত্রী শোভাযাত্রা শুধু একটি শহরের গর্ব নয়, গোটা বিশ্বের গর্ব। শোভাযাত্রা দেখার জন্য পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা আগে ছিল না। এখন পর্যটন দপ্তরের মাধ্যমে কেএমডিএ পার্কে ভালো থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যার নাম রাখা হয়েছে ‘আলো রিসর্ট’। এছাড়া মাটির তলা দিয়ে বিদ্যুতের লাইন বসানোর কাজ প্রায় শেষের পথে। আশা করা যাচ্ছে, এই পুজোর সপ্তমীর আগে মুখ্যমন্ত্রী প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়