নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া - অন্দরমহলের উঠোনে এখনো বাজে ঢাকের আওয়াজ, এখনো উজ্জ্বল হয় উৎসবের আলো। কালের নিয়মে হারিয়ে গেলেও স্মৃতির পাতায় অমলিন রয়ে গেছে কোতুলপুরের ভদ্র বাড়ির দুর্গাপুজো। প্রায় সাড়ে তিনশো বছরের এই ঐতিহ্য আজও মানুষকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় জমিদারি আমলের সেই আভিজাত্যে।

ভদ্র পরিবারের মূল ব্যবসা ছিল লবনের আমদানি-রপ্তানি। কথিত আছে, মনসামঙ্গলের চাঁদ সওদাগরের প্রকৃত উত্তরপুরুষ এই ভদ্র পরিবারই। একসময় লবন ব্যবসা ও জমিদারির বিপুল আয়ে কোতুলপুরে গড়ে ওঠে সাতমহলা জমিদারবাড়ি। সেই অন্দরমহলেই শুরু হয় দুর্গাপুজো।

সময়ের সঙ্গে ভদ্র পরিবার ভাগ হলে আলাদা হয়ে যায় পুজোও। এক কালে এই পুজোর জাঁকজমক ছিল চোখ ধাঁধানো রামলীলা পাঠ, যাত্রাপালা, পুতুল খেলা আর মানুষের ভিড়ে গমগম করত গোটা বাড়ি। এমনকি ১৮৮০ সালের সপ্তমীতে কামারপুকুর থেকে বিষ্ণুপুর যাওয়ার পথে স্বয়ং রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবও এসে উপস্থিত হয়েছিলেন এই পুজো দেখতে।
তবে জমিদারি প্রথা উঠে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে কমতে থাকে ঐশ্বর্য। খসে পড়তে শুরু করে মহলবাড়ির পলেস্তরা, ভগ্নপ্রায় হয়ে পড়ে বহু মন্দির। তবু এখনও দাঁড়িয়ে আছে শ্রীধর জিউ মন্দির, গিরি গোবর্ধন মন্দির, রাসমঞ্চ আর দুর্গামণ্ডপ, যা স্মরণ করিয়ে দেয় একসময়ের গৌরবময় দিনগুলিকে। পুজোর সময় আজও হাজারো মানুষ ভিড় করেন ভদ্র বাড়ির দুর্গামণ্ডপে। ইতিমধ্যেই পরিবারের পক্ষ থেকে কিছু মন্দিরের সংস্কারও শুরু হয়েছে।

ভদ্র পরিবারের বৌমা দীপিকা ভদ্র জানান, “আমাদের পরিবারের দুর্গাপুজো শুধু পুজো নয়, এটা আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের গৌরব। প্রায় সাড়ে তিনশো বছরের এই পুজোর সাথে জড়িয়ে আছে বহু মানুষের স্মৃতি, বহু প্রজন্মের গল্প। একসময় জমিদারবাড়ির এই পুজো এতটাই বড় করে হত যে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় জমাতেন। এখন আগের মতো সেই জৌলুস নেই, কিন্তু আমাদের চেষ্টা থাকে পুজোর সেই ঐতিহ্য আর সংস্কৃতি ধরে রাখার। দুর্গা মণ্ডপে পুজো শুরু হলেই আজও গ্রামের মানুষ, আশপাশের মানুষ এসে ভিড় করেন। এই পুজোকে ঘিরেই আমরা সবাই একসূত্রে বাঁধা থাকি।”

ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর