নিজস্ব প্রতিনিধি, হুগলী (আরামবাগ) - শিক্ষক দিবসের আগে এক গর্বের মুহূর্তের সাক্ষী থাকল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ‘শিক্ষারত্ন সম্মান’ পেলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের প্রধান অধ্যাপিকা ড. সৈয়দ তানভীর নাসরিন।এই গর্বের মুহূর্ত কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নয়, সমগ্র বর্ধমানের জন্য এক বিশেষ সম্মান।
সূত্রের খবর, কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে রাজ্য সরকারের আয়োজিত এক বিশাল অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় সম্মাননা প্রদান পর্ব। মুখ্যমন্ত্রী নিজ হাতে ড. নাসরিনকে উত্তরীয় ও মেমেন্টো প্রদান করেন। পাশাপাশি সম্মানস্বরূপ প্রদান করা হয় ২৫ হাজার টাকা এবং রাজ্যের সব শিক্ষারত্ন প্রাপকদের নাম সম্বলিত একটি বিশেষ গ্রন্থ।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনসহ রাজ্যের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়, যা শিক্ষকদের প্রতি সরকারের সম্মান প্রদর্শনেরই নিদর্শন।
ড. সৈয়দ তানভীর নাসরিন বহু বছর ধরে ইতিহাস শিক্ষায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এনে ছাত্রছাত্রীদের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছেন। তাঁর গবেষণা, সমাজমনস্ক দৃষ্টিভঙ্গি, শিক্ষাদান ও ছাত্রছাত্রীদের প্রতি আন্তরিক আচরণ তাঁকে সবার থেকে আলাদা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর অবদান অপরিসীম। তাঁর পাঠদানে শুধু ইতিহাসের তথ্যই নয়, বরং জীবনের মূল্যবোধও তুলে ধরা হয়।

শিক্ষারত্ন সম্মানপ্রাপ্ত ড. সৈয়দ তানভীর নাসরিন জানান ,”এই সম্মান আমার দীর্ঘ ২৭ বছরের শিক্ষকতার যাত্রাকে পূর্ণতা দিল। আমি বিশ্বাস করি, যেমন আলেকজান্ডারও একসময় উদ্ধত প্রকৃতির ছাত্র ছিলেন, তেমনি আজকের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যেও যে স্পর্ধা রয়েছে, কালক্রমে তারাই বড় হয়ে দিগ্বিজয়ী হবে। তবে সময়ের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব বেড়েছে, তাই তাদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে আমাদের সহযোগিতা জরুরি। নারী শিক্ষা নিয়ে বলতে চাই, প্রতিবন্ধকতা সবসময় প্রত্যক্ষভাবে আসে না। আমার পরিবারে ছয় প্রজন্ম ধরে মহিলারা শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত, তাই পরিবারে বাধা পাইনি, কিন্তু সমাজ ও প্রতিষ্ঠানের নানা চ্যালেঞ্জ পেরোতে হয়েছে। তবুও নেতিবাচক দিক নয়, বরং ইতিবাচক প্রেরণাকেই বেছে নিয়েছি। আগামীতেও আরও দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষকতা করে সমাজে বড় ভূমিকা রাখতে চাই।”
ড. সৈয়দ তানভীর নাসরিনের এই সম্মান কেবল ব্যক্তিগত গর্ব নয়, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় তথা গোটা জেলার জন্য এক বড় স্বীকৃতি। শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে, পাশাপাশি শিক্ষারত্ন সম্মান তাঁর যাত্রাকে আরও সমৃদ্ধ করে তুলল।
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর