নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - বুনো হাতি তাড়াতে গিয়ে মার খেতে হল হুলা পার্টির সদস্যদের। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী রেঞ্জের বাঁশকুলে এলাকায়। বুধবার রাতে জঙ্গল থেকে হাতির দল সরাতে গিয়ে স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়েন বনদফতর সহ হুলা পার্টির কর্মীরা। অভিযোগ , দুজন হুলা পার্টি সদস্যকে বেধড়ক মারধর করে একদল উত্তেজিত গ্রামবাসী।
সূত্রের খবর , ওই রাতে সোনামুখী রেঞ্জের বনকর্মীরা হুলা পার্টির সহায়তায় ধানশিমলার জঙ্গল থেকে সাতটি বুনো হাতিকে বিষ্ণুপুরের দিকে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে বাঁশকুলে গ্রামের উপর দিয়ে হাতির দলটি যাওয়ার সময় , ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় গ্রামবাসীরা হাতির গতিপথে বাধা দেন। এই নিয়ে বনকর্মীদের সঙ্গে শুরু হয় বচসা। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এরপর স্থানীয়দের একাংশ চড়াও হয়ে হুলা পার্টির সদস্যদের মারধর শুরু করে।
এই ঘটনায় হুলা পার্টির সদস্য সহদেব লোহার গুরুতর জখম হন। এরপর তাকে সোনামুখী ব্লক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আরেক সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। অভিযুক্তদের অনেকেই পালিয়ে গেলেও পরে পুলিশ মিঠু মাণ্ডি সহ চন্দ্র মাণ্ডি নামে দু’জনকে গ্রেফতার করে। উভয়ের বাড়ি বাঁশকুলে গ্রামে। পুলিশ জানায় , বনকর্মীদের উপর হামলার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে।
উল্লেখ্য , বর্তমানে বাঁকুড়া জেলায় মোট ৬৬ টি বুনো হাতির অবস্থান রয়েছে। এর মধ্যে সাহারাজোড়ায় ৫৮টি , রাধুরবাইদে ১টি এবং চক পাত্রসায়েরে রয়েছে আরও ৭টি হাতি। বন দফতর সূত্রে জানা গেছে , এই হাতিগুলিকে নিয়মিত গতিপথে ফিরিয়ে আনা ও লোকালয় থেকে সরিয়ে দেওয়ার কাজ করছে হুলা পার্টি সহ বনকর্মীরা। বন দফতরের কর্মীদের উপর হামলার এই ঘটনা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে , ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।
বনদফতর সোনামুখী রেঞ্জার বিট অফিসার ইদ্রিস সরকার জানান , “আমরা ধানশিমলার জঙ্গল থেকে সাতটি হাতিকে অন্য জঙ্গলে পাঠানোর কাজ করছিলাম। হাতিগুলোর গতিপথ বাঁশকুলে পড়ায় গ্রামবাসীরা বাধা দেয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আমাদের হুলা পার্টির সদস্যদের মারধর করা হয়।”
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়