নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - শ্বশুরবাড়ির অন্যায়ের অত্যাচার। প্রতিবাদে সরাসরি হাতে পোস্টার নিয়ে রাস্তায় নেমে এলেন এক গৃহবধূ। এমন দৃশ্য দেখেই চমকে ওঠেন পথচলতি মানুষ। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে দরজার সামনেই ধর্নায় বসলেন বৌমা সাবিনা ইয়াসমিন।
স্থানীয় সূত্রে খবর, চুঁচুড়ার চকবাজারের ২ নম্বর সোনাটুলি এলাকায় বেশ কিছুক্ষণ চাঞ্চল্য ছড়াল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। হাতে বড় বড় পোস্টার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে নিজের শ্বশুরবাড়ির দরজায় বসে রইলেন ওই তরুণী। পাশে ছিলেন বাবা মা ও কয়েকজন আত্মীয়। অভিযোগের ঝড় তুললেন তিনি স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে।

সাবিনা জানান, চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাঁর বিয়ে হয় নজরুল উদ্দিনের সঙ্গে। কিন্তু পরে তিনি জানতে পারেন, নজরুলের আগেই একটি বিয়ে হয়েছে। সেই সম্পর্ক নিয়ে এখনো কোর্টে মামলা চলছে। তবু সত্যিটা লুকিয়ে বিয়ে করা হয় সাবিনার সঙ্গে। বিয়ের কয়েক মাস পর স্বামী তাঁকে নিয়ে বেঙ্গালুরুতে চলে যান। কিছুদিন সংসার চলার পর হঠাৎ করেই সাবিনাকে তাঁর বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে নজরুল আর যোগাযোগ রাখেননি বলে অভিযোগ।

সাবিনা আরও বলেন, বিয়ের সময় কোনো দেনমোহর বা বড় দাবি ছিল না। কিন্তু পরে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা সোনা ও টাকার জন্য চাপ দিতে শুরু করেন। বহুদিন ধরেই শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চলছিল বলে তাঁর অভিযোগ। বুধবার তিনি বাবা মাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যান। তখন শাশুড়ি আকলিমা বিবি নাকি তাঁকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন।
এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাবিনা ও তাঁর বাবা মা শ্বশুরবাড়ির সামনেই ধর্নায় বসেন। হাতে ছিল “বিচার চাই” লেখা পোস্টার। এলাকাবাসীর ভিড় জমে যায়, শুরু হয় চর্চা।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উভয় পক্ষকে শান্ত করে। সাবিনা জানান, খুব শীঘ্রই তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সকলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করবেন।
পরিবারের এক দূরসম্পর্কের আত্মীয় শেখ আনসারের অভিযোগ, “ওই পরিবার অত্যন্ত লোভী। আমাকেও নিজের সম্পত্তি নিয়ে আসতে জোর করা হয়েছিল। বাড়ির দুই ছেলে একাধিকবার অবৈধভাবে বিয়ে করেছে, অথচ কারও সঙ্গেই সংসার করেনি। ছোট ছেলে নাকি ৬- ৭ বছরের ব্যবধানে গোপনে একাধিক বিয়ে করেছে, যা আমরা কেউ জানতাম না।”

তবে এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবিনার শাশুড়ি। তাঁর দাবি, “সাবিনাই বারবার বিয়ে করেছে। প্রায়ই বাড়িতে অশান্তি করত। এমনকি একসময় ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে বাবা মাকে থেকে আলাদা করার পরিকল্পনাও করেছিল।”

সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়