নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া - প্রবল বর্ষণে হাঁটু জলে ডুবল বাঁকুড়া জেলার পাত্রসায়ের ব্লকের হামিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ১২১ নম্বর হদল আইসিডিএস কেন্দ্র। এর ফলে প্রতিদিনের মতো শিশুদের নিয়ে কেন্দ্রে আসা প্রসূতি মা থেকে শুরু করে অভিভাবকরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। হাঁটু জলে ভিজে, ভয় ও আতঙ্ককে সঙ্গী করেই যেতে হচ্ছে আইসিডিএস কেন্দ্রে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই কেন্দ্রের অধীনে বর্তমানে মোট ৪০ জন উপভোক্তা রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গর্ভবতী মা ৬ জন, প্রসূতি মা ১ জন ও শিশু রয়েছে ৩৩ জন। প্রতিদিনের মতো রান্না করা খাবার, পুষ্টিকর খাদ্য এবং অন্যান্য পরিষেবা দেওয়ার দায়িত্বে রয়েছেন আইসিডিএস কর্মীরা। কিন্তু প্রবল বৃষ্টিতে সামনের মাঠ ও রাস্তা হাঁটু জলে ডুবে যাওয়ায় প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে সমস্যার পাহাড়। ছোট ছোট শিশুদের কখনো কোলেতে নিয়ে, কখনো এক হাঁটু জল ঠেলে হাঁটতে হাঁটতেই আসতে হচ্ছে কেন্দ্রে। এতে যেকোনো সময়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২০১৭ সালে এই আইসিডিএস কেন্দ্র চালু হয়। তারপর থেকেই বর্ষা এলেই একই ছবি দেখা যায়। প্রতি বছরই বৃষ্টি হলে হাঁটু জল জমে থাকে কেন্দ্রের সামনে। বহুবার স্থানীয় প্রশাসন, পঞ্চায়েত সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ জানিয়েও কোনো সুরাহা হয়নি। প্রায় আট বছর ধরে একই দুর্দশায় ভুগতে হচ্ছে প্রসূতি মা ও শিশুদের।

অভিভাবক পূজা ঘোষ জানান, “আমাদের বাচ্চারা হাঁটু জল মাড়িয়ে আইসিডিএস কেন্দ্রে যায়। খুব ভয় হয়, কখনো যদি পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে বা জমা জলে সাপখোপের ভয়ে বাচ্চাদের পাঠিয়ে আতঙ্কে থাকি।”

আইসিডিএস কর্মী পূর্ণিমা পাঁজা বলেন, “আমরা দিদিমণিরা চেষ্টা করি সব পরিষেবা ঠিক মতো দেওয়ার। কিন্তু হাঁটু জলে সব কাজই ব্যাহত হয়। শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা খুবই দুশ্চিন্তায় থাকি।”

এছাড়াও এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, কেন্দ্রের সামনে রয়েছে ঘন ঝোপঝাড়, নেই পানীয় জলের কল। ফলে ছোট ছোট শিশুদের জন্য পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অনেক সময়ে ভয়ে অভিভাবকেরা তাঁদের সন্তানদের আইসিডিএস কেন্দ্রে পাঠানো বন্ধ করে দেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশুদের পুষ্টি ও শিক্ষা, যেটা এই কেন্দ্রের মূল উদ্দেশ্য।
তবে এই সমস্যার বিষয়ে স্থানীয় পাত্রসায় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য গোলাপি খা জানান, “বিষয়টি নিয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। এমনকি কামারপাড়া আমার সমাধান ক্যাম্পেও সমস্যাটি তোলা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে খুব শিগগিরই ড্রেন নির্মাণের ব্যবস্থা হবে।”

সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়