নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - SIR নিয়ে উত্তপ্ত রাজনৈতিক মহল। দিনের পর দিন হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে সাধারণ মানুষকে। এবার ফের তেমনই চিত্র। মালদহে শুনানিতে ডাক পেলেন এক প্রতিবন্ধী। হামাগুড়ি দিয়ে হাজিরা দিতে গেলেন তিনি। ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের ওপর ক্ষোভ উগরে দিলেন প্রতিবন্ধী সহ সাধারণ মানুষ। ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদহে।
সূত্রের খবর , প্রতিবন্ধী ব্যক্তির নাম নইমুদ্দিন শেখ। বয়স আনুমানিক ৩৯ বছর। বাড়ি গাজলের মহাকাল বোনা এলাকায়। তিনি জন্ম থেকে প্রতিবন্ধী। হাঁটতে পারেন না। না পারেন সঠিকভাবে কথা বলতে। প্রায় হামাগুড়ি দিয়ে গাজোল ব্লক ক্যাম্পাসের হেয়ারিং কেন্দ্রে আসেন তিনি। বেশ কিছুক্ষণ লাইন দিয়ে শুনানি কেন্দ্রে হয়রানির শিকার হয়েছেন বিশেষভাবে সক্ষম ওই ব্যক্তি।
নইমুদ্দিন শেখ বলেছেন , "আমি হাটতে পারিনা সঠিকভাবে। কথা বলতেও অসুবিধে হয়। তবুও কষ্ট করে আমাকে বাধ্য হয়ে হেয়ারিং সেন্টারে আসতে হয়েছে। আমার পরিবারে কেউ নেই। একাই বসবাস করি। স্থানীয় লোকজন সহযোগিতা করে আমাকে টোটোতে তুলে নিয়ে এসেছেন।স্থানীয় লোকজন সহযোগিতা না করলে আমি হেয়ারিং করতে পারতাম না। আমাদের এলাকায় হেয়ারিং হলে আমার এত কষ্ট হতো না। এটা তো মানুষকে হয়রানি ছাড়া আর কিছুই নয়। অনেক জায়গায় তো হচ্ছে আমাদের এলাকায় কেন নয়?"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়