নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - ভোটের ময়দানে বিতর্কের আগুনে নতুন করে ঘি ঢাললেন তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লা। ভাঙড়ের এক সভা থেকে অকপট ভাষায় তিনি দাবি করলেন, যেখানে তৃণমূল পরাজিত হয়েছে, সেখানে সরকারি প্রকল্পের টাকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তার এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।
ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লা ভাঙড়ের সভা থেকে প্রকাশ্যে বলেন, 'এই ভাঙড় থেকে তিনটি অঞ্চলে আমরা হেরে গিয়েছিলাম। সেই তিনটি অঞ্চলের ঘর পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে আমাদের সরকার।' তিনি আরও দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার টাকা দেবে আর সেই টাকা নিয়ে বিরোধীরা রাজনীতি করবে তা হতে পারে না। শুধু তাই নয়, সভামঞ্চ থেকে বিরোধীদের উদ্দেশ্যে তীব্র ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে শওকত মোল্লা বলেন, ' যদি হিম্মত থাকে, বাপের বেটা হও সেই টাকা নিয়ে নাও।'
তৃণমূল বিধায়কের অভিযোগ, ' আইএসএফ এবং কিছু সমাজবিরোধী শক্তি সরকারি প্রকল্পের টাকা রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে। দাদার খাবে, আর মামার গাইবে বলবে ওটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবার টাকা ? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার টাকা দেবে আর তার মা-মাসি নিয়ে এই চালতাবেড়িয়া-শানপুকুরের কিছু সমাজ-বিরোধী টানাটানি করবে, আমরা বলছি টাকা আমরা বন্ধ করে দিয়েছি।'
আইএসএফের উদ্দেশ্যে শওকত মোল্লা বলেন, ' আগামীদিনেও আমি পরিষ্কার বলি, আমাদের এই অঞ্চলে সিএমআর থেকে নাম এসেছে। আমি প্রত্যেক নেতার কাছে অনুরোধ করব, আইএসএফের একজনও যাতে টাকা না পায় তার ব্যবস্থা আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসকে করতে হবে।' এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিরোধীরা।
বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, 'দীর্ঘদিনের উনি রাজনীতিক। বাম রাজনীতি করেছেন। তৃণমূল করছেন। রাজনীতিতে এই ধরনের ঔদ্ধত্য যারা দেখান, সাধারণভাবে মানুষ তাদের নির্বাচনে জেতা বন্ধ করে দেন। ফলে,উনি টাকা বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলছেন ? মানুষ ওদের এমনভাবে হারাবেন যে ওদের আর বিধানসভায় পৌঁছানোর জায়গা থাকবে না।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়