নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - নিউ গড়িয়ার এক অভিজাত আবাসনে নৃশংস খুনের ঘটনায় অবশেষে মিলল রহস্যভেদ। বৃদ্ধা খুনের ঘটনায় অবশেষে ধরা পড়ল অভিযুক্ত আয়া ও তার সঙ্গী। তাদের কাছে থেকে উদ্ধার হয়েছে লুট হওয়া গয়নাও।
সূত্রের খবর, নিউ গড়িয়ার এফ ব্লকের একটি দোতলা বাড়িতে স্বামী প্রশান্ত দাসকে নিয়ে থাকতেন ৭৯ বছরের বিজয়া দাস। ছেলে থাকেন জার্মানিতে, মেয়ে মুম্বইয়ে। শুক্রবার সকালে তাদের ঘর থেকে উদ্ধার হয় হাত - পা বাঁধা বৃদ্ধার মৃতদেহ। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তে জানা যায়, গলা টিপে শ্বাসরোধ করার পাশাপাশি মাথায় আঘাত করে খুন করা হয়েছে বৃদ্ধাকে। তদন্তে নেমে পুলিশ সংগ্রহ করে বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে পরিচারিকা কাজ সেরে চলে যাওয়ার পর আয়াকে বাড়িতে প্রবেশ করতে দেখা যায়। তারপরই বন্ধ হয়ে যায় সিসিটিভি এবং মূল সুইচ। পুলিশের অনুমান, চিকিৎসার খরচের টাকা বাড়িতে আছে জানতে পেরেই লোভে পড়ে পরিকল্পিতভাবে খুন ও লুট চালায় আয়া ও তার সঙ্গী।
লুটের পর দুপুরে হোম ডেলিভারিতে আসা খাবার নেয় সে যাতে কেউ সন্দেহ না করে। সন্ধের মধ্যেই পিছনের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। দীর্ঘ তল্লাশির পর কলকাতা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় খোঁজ চালিয়ে পুলিশ অবশেষে রায়দিঘি থেকে গ্রেফতার করেছে অভিযুক্ত আয়া ও তার সঙ্গীকে। উদ্ধার হয় চুরি যাওয়া গয়নাও।
কমিশনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শমীক ভট্টাচার্য
বৃহস্পতিবার ধৃত আইনজীবীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়
আদালতের নির্দেশে খুশির হাওয়া তৃণমূলে
ভোটের মুখে বড় চাল বিজেপির
SIR এ ১৪২ ধারায় বিশেষ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ভোটারদের নিরাপত্তায় জেলায় জেলায় টহলদারি পুলিশের
কমিশনের বক্তব্যে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে
রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা মুখ্যমন্ত্রীর
ব্রাত্য বসুর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বির্তক
২৪ এপ্রিল যাদবপুর থেকে গড়িয়াহাট পর্যন্ত পদযাত্রার ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
প্রতীক জৈনের বউ ও ভাইকে তলব করা হয়েছে
ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
মঙ্গলবার রাত ৮ টায় ভার্চুয়াল বৈঠক অভিষেকের
১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়