নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - এক রোমাঞ্চকর প্রেমের গল্প শেষ হল রক্তাক্ত পরিণতিতে! গভীর রাতে প্রেমিকার বাড়িতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন এক যুবক।

চোখে গুরুতর আঘাত নিয়ে এখন তার ঠিকানা হাসপাতাল। আর সেই ঘটনার জেরে এলাকাজুড়ে উত্তেজনা, ভাঙচুর, পুলিশের টহল, সব মিলিয়ে থমথমে পরিবেশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে প্রভাসনগর এলাকায়। আক্রান্ত যুবকের নাম বৈদ্যরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় (২৫)। তার বাড়ি প্রভাসনগরের চাকলাপাড়ায়। বহুদিন ধরে তার সম্পর্ক ছিল ঘোরামারা মল্লিপাড়ার এক তরুণীর সঙ্গে। কিন্তু সম্প্রতি তরুণীর পরিবারের পক্ষ থেকে তার অন্য পাত্রের সঙ্গে বিয়ের কথা ঠিক করা হয়, আগামী ৪ঠা ডিসেম্বর সেই বিয়ের দিন ধার্য ছিল।

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, বুধবার গভীর রাতে প্রায় রাত ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ, তরুণী নাকি নিজেই ফোন করে প্রেমিক বৈদ্যরাজকে বাড়িতে ডাকে। ছেলেটি গিয়েও পড়ে সেখানে। কিছুক্ষণ পরই পরিবার টের পেয়ে যায়।এরপর শুরু হয় ব্যাপক মারধর! অভিযোগ, তরুণীর বাবা ও দাদা মিলে বৈদ্যরাজকে বেধড়ক মারধর করে।

তার ডান চোখে গভীর ক্ষত হয়। প্রথমে তাকে ওয়ালস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে স্থানান্তরিত করা হয় কলকাতা মেডিকেল কলেজে। পরিবারের দাবি, ছেলেটির এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। মেয়েটিকের পরিবারের সকল সদস্যের শাস্তি কামনা করছেন তারা।

এই ঘটনায় শুক্রবার সকালে চরম উত্তেজনা ছড়ায় প্রভাসনগরে। ক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয় মানুষজন। তরুণীর বাবার দোকান ভাঙচুর করা হয়। এরপর উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত দাদাকে মারধর করতে শুরু করলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

বর্তমানে এলাকায় পুলিশ ও র্যাফ মোতায়েন রয়েছে। শ্রীরামপুর থানায় এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।

ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জানান, “ পুলিশ পুলিশের মতো করে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তবু মনে হচ্ছে কেউ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে চাইছে। আইন কারোর হাতে তুলে নেওয়ার ক্ষমতা নেই। নিলে পুলিশ তাদের মতো করে ব্যবস্থা নেবেই। আমি এলাকার মানুষকে একটা কথাই বলতে চাইব। আরও সচেতন হোন, মিথ্যে প্ররোচনায় পা দেবেন না।”
ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়