নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যেই গোসাবায় নদী বাঁধে ধস। মঙ্গলবার রাতে হটাৎই দুর্গাদোয়ানি নদী বাধে নামে ধস। রাত থেকেই বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু করে সেচ দফতর। ধসের ঘটনায় এলাকা জুড়ে ছড়ায় তীব্র আতঙ্ক।
সূত্রের খবর , মঙ্গলবার রাতে গোসাবার সোনাগা গ্রামে দুর্গাদোয়ানি নদীর বাঁধের একটা বড় অংশে ধস নামে। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়ায় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে। এরপর তারা সেচ দফতরে খবর দেয়। খবর পেয়ে সেচ দফতরের আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে এসে দেখেন বাঁধ খুবই আশংকাজনক অবস্থায় রয়েছে , যার ফলে আবারও কোনও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এরপর রাতেই বাঁধ মেরামতির কাজ শুরু করে সেচ দফতর।
তবে বাঁধের এতটা খারাপ অবস্থা তা কেনও আগে প্রশাসনের চোখে পড়েনি তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে নদীতীর্বর্তী এলাকার বাসিন্দারা। এছাড়াও বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় নানান সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের।
স্থানীয় বাসিন্দারা এপ্রসঙ্গে জানান , '' মঙ্গলবার রাতে নদী বাঁধে ধস নামে। বাঁধের অবস্থা খুবই খারাপ ছিলো। ভরাকোটালের ফলে আরও খারাপ হয়ে পরে। এরপর ধস নামে। আমরা আতঙ্কে রয়েছি , আবারও এরকম ঘটনা ঘটলে তা খুবই খারাপ হবে। ইতিমধ্যেই বাঁধ মেরামত করা হচ্ছে। আশা করছি এবার আমাদের আশংকা একটু কমবে।''
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়