নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে ফের গ্রেফতার হলেন বাম আমলের কুখ্যাত “চাকরি কেলেঙ্কারির আঁতুড়ঘর” কানাইপুরের গোপাল দাস। একসময় পুলিশের চাকরিতে থাকা গোপালকে ব্যারাকপুর কমিশনারেট গত শুক্রবার সল্টলেক থেকে গ্রেফতার করে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে ব্যাপক রাজনৈতিক তরজা।
সূত্রের খবর, গোপাল দাস পুলিশে কর্মরত অবস্থায় দমকল, পুলিশ ও সরকারি দফতরে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে বহু মানুষকে প্রতারণা করতেন। অভিযোগ, অনেকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে কিছুজনকে চাকরি পাইয়ে দেন, বাকিরা প্রতারিত হন। স্থানীয়দের দাবি, বাম আমলের বেশ কয়েকজন নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। সেই প্রভাবেই কানাইপুরের বাড়িতে প্রায়ই নীল বাতির গাড়ি দেখা যেত।
পরে তার প্রতারণা চক্র ফাঁস হলে পুলিশ গোপালকে গ্রেফতার করে এবং চাকরি চলে যায়। কিন্তু সাম্প্রতিককালে ফের একই ধরনের প্রতারণা চক্র চালানোর অভিযোগ উঠতেই ব্যারাকপুর পুলিশ তাকে ফের পাকড়াও করে এবং আদালতে পেশ করার পর ১৪ দিনের হেফাজতে নেওয়া হয়।
কানাইপুরে তার প্রাক্তন স্ত্রী উমা দাস বলেন, ' ১৯৯৯ সালে কলকাতা পুলিশে চাকরি পান গোপাল। পরে মামলায় চাকরি হারান, বিচ্ছেদ হয়। এরপর আবার বিয়ে করেন, তবে কানাইপুরে থাকেন না। তবে বাম আমলে কোনো নেতা মন্ত্রীকে বাড়িতে আসতে দেখা যায়নি।'
কানাইপুর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান আচ্ছলাল যাদবের বক্তব্য, 'বাম আমলে চিরকুটে চাকরি হত। গোপালের নামে অনেক অভিযোগ ছিল। এবার ধরা পড়ায় অনেকেই রক্ষা পাবে।' বর্তমান উপপ্রধান ভবেশ ঘোষের অভিযোগ, 'চাকরি দুর্নীতি বাম আমলেই শুরু হয়েছিল। গোপাল দাসের সঙ্গে তৎকালীন এক মন্ত্রীর সরাসরি যোগাযোগ ছিল।'
তৃণমূলের অভিযোগে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সিপিআইএমের কোন্নগর এরিয়া কমিটির সম্পাদক আশীষ দে। তিনি বলেন, 'যে অপরাধ করেছে, তার শাস্তি হবেই। তবে বাম আমলে দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক ছিল না। তৃণমূল এখন নিজেদের দোষ ঢাকতে এসব বলছে।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়