নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব মেদিনীপুর - প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশায় ব্যবসা করতে গিয়ে নিখোঁজ এগরার যুবক। এর আগেও বিজেপি শাসিত ওড়িশায় একাধিক পরিযায়ী শ্রমিককে বাংলা বলার অপরাধে আটক করেছিল ওড়িশার প্রশাসন। সেই একই ঘটনা জইরুউদ্দিন সাহার সঙ্গে ঘটেছে কিনা তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
সূত্রের খবর , গত ৪ দিন ধরে ওড়িশায় ব্যবসা করতে গিয়ে নিখোঁজ হন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরার ১ নম্বর ব্লকের জইরুউদ্দিন সাহা। ৮ দিন আগে বাড়ি থেকে পুরীর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল সে। ওড়িশায় তিনি পুলিশের কাছে কোনোভাবে হেনস্থা হচ্ছেন কিনা তা নিয়ে চিন্তায় পরিবার।
নিখোঁজ ৩০ বছর বয়সী যুবক ওড়িশায় চুলের ব্যবসা করত। বাড়ি থেকে বেরোনোর চার দিন পর বাড়ি ফিরে আসার কথা ছিল। নিয়মিত পরিবারের সঙ্গে ফোন কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করত ওই যুবক। কিন্তু গত চার দিন ধরে তার সঙ্গে আর কোন যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে দাবি পরিবারের। ইতিমধ্যেই পরিবারের বাসিন্দা বেলদা রেল পুলিশের শরণাপন্ন হয়।
ঘটনায় যুবকের স্ত্রী রুকসানা বিবি বলেন, 'গত ১৫ বছর ধরে আমার স্বামী এই কাজই করে চলেছে। আমার দুটো ছেলে আছে। ওকে খুঁজে না পেলে আমাদের পরিবার অচল। পুলিশ দ্রুত তদন্ত করে আমার স্বামীকে খুঁজে দিক।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়