নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - খসড়া তালিকায় ফের গণ্ডগোল। জ্বলজ্যান্ত ব্যক্তিকে খসড়া তালিকায় দেখানো হল মৃত। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম জ্বলজ্বল করলেও সদ্য প্রকাশিত খসড়া তালিকায় মৃত ৬৭ বছর বয়সী সোমেশ্বর সরকার। ঘটনায় চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন সোমেশ্বর বাবু-সহ গোটা পরিবার।
সূত্রের খবর , নৈহাটি বিধানসভার অন্তর্গত জেটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ৭৫ নম্বর পার্টে ভোটদান করেন সোমেশ্বর কর্মকার। তবুও সদ্য প্রকাশিত তালিকায় নাকি তিনি মৃত। ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ভোটার। প্রতিটা মুহূর্ত আতঙ্কের সঙ্গে কাটাতে হচ্ছে তাকে। শুধু তাই নয় , ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সংসদ অর্জুন সিংয়ের কানে খবর পৌঁছানোর পরেই রাজ্য সরকারকে তুলোধোনা করেন তিনি। BLO-দের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সোমেশ্বর সরকার বলেছেন , "এটা অত্যন্ত আশ্চর্যজনক যে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানো হচ্ছে। আমি ভীষণই অবাক। আমাকে যখন মৃত দেখানোই হয়েছে তাহলে শ্মশানঘাটে নিয়ে যাওয়া হোক। আমাকে পুড়িয়ে ফেলা হোক। আমার পরিবারের সমস্ত খরচ তাহলে নির্বাচন কমিশন নিয়ে নিক। আমি নিয়ম মেনে ভোটের সময় ভোট দি। তারপরও আমার সঙ্গে এহেন অবিচার কেন হল? আমার গোটা পরিবার চিন্তার সঙ্গে দিন কাটাচ্ছে। দিনের পর দিন ভুল কাজ করে চলেছে নির্বাচন কমিশন। এর বিরুদ্ধে একটা ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।"

ঘটনায় অর্জুন সিং বলেছেন , "রাজ্য সরকার SIR নিয়ে প্রথম থেকেই বিরোধিতা করেছে। আশা কর্মী , আইসিডিএস কর্মীদের BLO নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত পুরোটাই ভুল। যে BLO এই ভুল করেছে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। তাকে যত শীঘ্রই সম্ভব সাসপেন্ড করতে হবে। এইভাবে জীবিত ভোটারদের মৃত বলে ঘোষণা করা যায়না। আমি কথা দিচ্ছি ওই ভোটারের নাম তালিকায় উঠবেই।"
অর্জুন সিং আরও বলেছেন , "সরকারি কর্মচারীদের দিয়ে এই কাজ করানো হলে এসব হত না। যারা BLO হিসেবে কাজ করছে তারা যোগ্য নয়। সকলেই রাজ্য সরকারের মদতে কাজ করছে। এখানে নির্বাচন কমিশনের কোনো ভূমিকাই নেই। তাই নির্বাচন কমিশনকে দোষ দেওয়া যায় না।"
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
রায়গঞ্জের মঞ্চে বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী
বুথ দখল ঘিরে সতর্কবার্তা মমতার
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়