নিজস্ব প্রতিনিধি , দার্জিলিং - নিম্নচাপজনিত প্রবল বৃষ্টি ও হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন ও ধসে ক্ষতিগ্রস্ত। বুধবার বিপর্যস্ত অঞ্চল পরিদর্শন করে দার্জিলিংয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তিনি।
সূত্রের খবর, দার্জিলিংয়ের মিরিকসহ একাধিক জায়গায় ধসের ফলে বহু রাস্তা ভেঙে পড়েছে, যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, পাহাড়জুড়ে চলছে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ। ইতিমধ্যেই ১৩০০ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা হয়েছে, ৩০ হাজার মানুষকে রান্না করা খাবার এবং বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছে। দার্জিলিংয়ে ১৭টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে, যেখানে আপাতত ৭৫০ জন দুর্গত আশ্রয় নিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, 'এই বিপর্যয়ে অন্তত ৭০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, প্রাণ হারিয়েছেন ৩২ জন। কিন্তু কেন্দ্র এক পয়সাও দেয়নি।' তিনি আরও বলেন, 'আমাদের সরকার মানুষের পাশে থেকেছে, আমরা নিজেদের উদ্যোগেই ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেছি।'
প্রশাসনিক বৈঠক থেকে কেন্দ্রকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, '৭০ হাজার মানুষের প্রাণ গেছে কিন্তু কেন্দ্র কোনো টাকা দেয়নি। কেন্দ্র টাকা না দিলেও আমরা বসে নেই। রাজ্য সরকার নিজের তহবিল থেকে মানুষকে সাহায্য করছে।' তিনি সাধারণ মানুষের উদ্দেশে আবেদন করেন, ' যদি কেউ সাহায্য করতে চান, তারা ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি-র নামে চালু হওয়া ডিজাস্টার রিলিফ ফান্ডে অনুদান দিতে পারেন।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়