নিজস্ব প্রতিনিধি, উত্তর ২৪ পরগণা -
দুর্গাপুর কাণ্ডের ঘটনায় এবার উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। একের পর এক মন্তব্য, পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় জেরবার রাজনৈতিক মহল। রবিবার বিকেলে দুর্গাপুর মেডিক্যাল কলেজের জরুরি বিভাগে পৌঁছন বিজেপি নেত্রী লকেট চ্যাটার্জি। ঘটনার শিকার মেডিক্যাল ছাত্রীর অবস্থা দেখতে ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার জন্যই তাঁর এই সফর বলে জানান তিনি। কিন্তু সেই মুহূর্তে ঘটে যায় বিস্ময়কর ঘটনা অভিযোগ, পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হয় লকেট চ্যাটার্জিকে।

সূত্রের খবর, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে স্পষ্ট নির্দেশ ছিল, বাইরের কাউকে হাসপাতালের ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। সেই কারণ দেখিয়েই পুলিশ নেত্রীকে থামিয়ে দেয় গেটের সামনেই। মুহূর্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজেপি নেত্রী লকেট চ্যাটার্জি পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। শুরু হয় তর্কাতর্কি ও স্লোগানবাজি। ক্রমে হাসপাতালের গেটের সামনে জড়ো হতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। গেটে তালা ঝুলে থাকায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন তারা। অভিযোগ, হাসপাতালের জরুরি পরিষেবা এভাবে আটকে দেওয়া একেবারেই অমানবিক।

এরপরই বিজেপি নেত্রী ক্ষোভ উগরে বলেন, “এই রাজ্যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকলেও মহিলাদের নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। আজ মুখ্যমন্ত্রী নিজে মহিলাদের রাতে বাইরে না বেরোতে বলছেন, এটা ভীষণ লজ্জার! পার্ক স্ট্রিটের ঘটনার সময়ও দোষ চাপানো হয়েছিল মহিলার চরিত্রের উপর, আজও একই মানসিকতা চলছে। যদি কোনও গর্ভবতী মহিলা মাঝরাতে অসুস্থ হন, তিনি কি তবে মুখ্যমন্ত্রীর অনুমতির অপেক্ষা করবেন?”

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, “এইভাবে যদি হাসপাতালের জরুরি পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়, আর কেউ যদি গুরুতর অবস্থায় মারা যান, তার দায় নেবে কে? মুখ্যমন্ত্রী কি তারও দায়িত্ব নেবেন?” বিজেপি কর্মীরা অভিযোগ তোলেন, মুখ্যমন্ত্রী জেনে শুনেই মহিলাদের স্বাধীনভাবে চলাচলে বাধা দিচ্ছেন। তারা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ধর্ষকদের ‘রক্ষা করছেন’, তাই রাজ্যের মহিলারা আজ এতটা অসুরক্ষিত।
পুলিশের তরফে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, হাসপাতালে অপ্রয়োজনীয় ভিড় রোধ করতেই ওই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে বিরোধী নেতাদের হাসপাতালে ঢুকতে দিচ্ছে না, যাতে ঘটনাটির প্রকৃত চিত্র জনসমক্ষে না আসে।
এই ঘটনায় রাজনৈতিক রেষারেষি চরমে। একদিকে মুখ্যমন্ত্রীর ‘রাতে মহিলারা বেরোবেন না’ মন্তব্যে উত্তাল রাজ্য, অন্যদিকে দুর্গাপুরে বিজেপি নেত্রীর বিক্ষোভে আরও একবার সামনে এল রাজ্যের নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন।
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর