নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - পুলিশ মানেই সাধারণ মানুষের চোখে অনেক সময় কঠোরতা, শাসন আর আইন রক্ষার কঠিন দায়িত্ব। কিন্তু প্রয়োজনে যে পুলিশেরাও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান, তা বারবার প্রমাণিত হচ্ছে বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে। সম্প্রতি নদীয়ার কৃষ্ণনগরে ঘটল এমনই এক নজিরবিহীন ঘটনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর কোর্ট থেকে কাজ সেরে নদিয়ায় ফিরছিলেন রানাঘাট জেলা পুলিশের ট্রাফিক ডিএসপি সঞ্জয় কুমার। রাত প্রায় ন’টা নাগাদ কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার অন্তর্গত ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে চোখে পড়ে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা। একটি চার চাকা গাড়ি ধাক্কা দেয় একটি টোটোকে। ওই টোটোতে ছিলেন চালকসহ সাতজন যাত্রী, যার মধ্যে তিনজন শিশু। আকস্মিক ধাক্কায় সকলেই গুরুতর জখম হন।

পরিস্থিতি দেখে কোনো মুহূর্ত দেরি না করে নিজের গাড়ি থামিয়ে নামেন ডিএসপি সঞ্জয় কুমার। এরপর স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নিজের অফিসিয়াল গাড়িতেই নিয়ে যান কৃষ্ণনগরের শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে। বর্তমানে সবাই চিকিৎসাধীন।এদিকে, ঘটনার পর পরই ঘাতক গাড়িটিকে চিহ্নিত করে আটক করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, আহতরা সকলেই কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা।

ঘটনার পর ডিএসপি সঞ্জয় কুমার জানান, “আমি মুর্শিদাবাদ থেকে সাক্ষী দিয়ে ফেরার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটতে দেখি। টোটোয় থাকা ৭ জনের মধ্যে ৩ টি শিশু ছিলো। যার মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাই আর দেরি না করে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াই আমার প্রথম কাজ মনে হয়েছে। এরপর ঘাতক গাড়িটিতে আটক করে কৃষ্ণনগর থানার দ্বিতীয় অফিসার সুমন বিশ্বাসের হাতে তুলে দিয়েছি। উনি বর্তমানে কেসটির তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।”
পুলিশের এমন উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় মানুষজন। সকলের মত, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নয়, মানবিক দায়িত্ববোধের ক্ষেত্রেও দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন রানাঘাট জেলা পুলিশের ট্রাফিক ডিএসপি সঞ্জয় কুমার।
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়