নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - রাজ্য সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরেই এবার সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, কোন সময়কালের ডিএ কত দফায় এবং কীভাবে মেটানো হবে।
রবিবার ভোট ঘোষণার ঠিক এক ঘণ্টা আগেই বকেয়া ডিএ মেটানোর কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তার সেই কথা মতন সোমবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য সরকার। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ডিএ ও ডিআর-এর বকেয়া অর্থ দু দফায় মেটানো হবে। প্রথম কিস্তির টাকা চলতি বছরের মার্চ মাসেই পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা। দ্বিতীয় কিস্তি হিসেবে একই সময়কালের বাকি অর্থ দেওয়া হবে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে।
জানা গেছে, গ্রুপ এ, বি ও সি শ্রেণির কর্মীদের বকেয়া ডিএ সরাসরি তাদের পিএফ অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। অন্যদিকে গ্রুপ ডি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে বকেয়া অর্থ সরাসরি তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। তবে ২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সময়কালের বকেয়া ডিএ কবে মেটানো হবে, তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি। রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, ওই সময়কালের বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে পরবর্তীতে আলাদা করে সিদ্ধান্ত ও ঘোষণা করা হবে।
শুক্রবারের মধ্যে কমিশনের বিজ্ঞপ্তির ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
সিগন্যাল বিভ্রাটের জেরে বন্ধ মেট্রো পরিষেবা
যদিও কি কারণে এই তল্লাশি অভিযান সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি
রাজ্যসভার সচিবকে চিঠি বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের
শুক্রবার ভোর থেকে সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা
অভিযান ঘিরে বিক্ষোভে সামিল তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা
কমিশনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শমীক ভট্টাচার্য
বৃহস্পতিবার ধৃত আইনজীবীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়
আদালতের নির্দেশে খুশির হাওয়া তৃণমূলে
ভোটের মুখে বড় চাল বিজেপির
SIR এ ১৪২ ধারায় বিশেষ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ভোটারদের নিরাপত্তায় জেলায় জেলায় টহলদারি পুলিশের
কমিশনের বক্তব্যে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে
রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা মুখ্যমন্ত্রীর
ব্রাত্য বসুর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বির্তক
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়