নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - অতি প্রাচীন শিল্পের মধ্যে তাঁত শিল্প অন্যতম। এই শিল্পের ওপর ভর করেই চলত প্রায় কয়েক হাজার পরিবার। জেলায় জেলায় এই শিল্পের চল ছিল প্রচুর। তবে এখন তাঁত শিল্পের অবস্থা ভীষণই খারাপ। হুগলীতে প্রায় ১২০০-১৫০০ পরিবার আগে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এখন সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০০-১২০ পরিবার। ঘটনায় তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।
তাঁত শিল্পের এখন মন্দা বাজার। শ্রমিক নেই বললেই চলে। ফলে যারা এখন যুক্ত তাদের নিত্যদিন অতিরিক্ত কাজ করতে হচ্ছে। নতুন করে এই পেশায় আর কেউই আসতে চাইছেনা। ফলে পুরোনো বয়স্ক কর্মীদের ওপর অনেকাংশেই চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। সেক্ষেত্রে তাঁত শিল্পের অবস্থা ভীষণই শোচনীয়। সিঙ্গুর , বেগমপুর, ধানিয়াখালীর মত জায়গায় তাঁতশিল্পের এই শোচনীয় অবস্থায় ভীষণই চিন্তায় কর্মচারীরা।
এক বৃদ্ধা তাঁত শিল্পী জানিয়েছেন , "এই শিল্পের কাজ এখন নেই বললেই চলে। নতুন করে তো যোগদান করছেইনা। উল্টে ছেড়ে চলে যাচ্ছে। আসলে টাকাটাই আসল। তবে আমরা মা ঠাকুমার আমল থেকে এই তাঁত শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। শুরুর দিকে তো সপ্তাহে ৩ টে কি খুব বেশি হলে ৪ টে তাঁত বুনলে তবে গিয়ে ১৫০-২০০ টাকা মত পেতাম। আসলে পয়সার জন্যই অনেকে চলে যাচ্ছে। তবে এই শিল্পকে ধ্বংস হতে দিলে চলবেনা। এখন অনেকেই মেশিনে কাজ করে। আমাদের ওপর বিশেষ করে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। তবে সরকারকে এগিয়ে আসতেই হবে। অনেক আগে থেকেই এগিয়ে আসা উচিত ছিল। এখন যদিও কোনো সুরাহা হবে কিনা জানিনা।"

বিজেপি নেতা জানিয়েছেন , "প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সিঙ্গুরে এসে জানিয়েছিলেন তাঁত শিল্পের উন্নতি হবে। আসলে রাজ্য সরকারের ব্যর্থতার জন্যই তাঁত শিল্পের এখন শোচনীয় অবস্থা। যথাযথ কর্মী নেই , তেমন মজুরি নেই। আসলে কেন্দ্র সরকার তাঁত শিল্পের জন্য সর্বদা ভাবে। ধনীয়াখালী , সিঙ্গুর , বেগমপুর তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য।"
বিজেপি নেতা রাজ্য সরকারকে তুলধনা করে আরও বলেন , "কেন্দ্র সরকার তাঁত শিল্পের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে দেয়। তাঁত বোনার ঘরের জন্যও এককালীন টাকা পাঠানো হয়। তবে রাজ্য সরকারের হাত থেকে যেই তাঁত এসে পৌঁছায় সেগুলো বোনার মত নয়। ছিঁড়ে যায়। রাজ্য সরকারই সমস্ত টাকা খেয়ে নিচ্ছে। আমরা খুব তাড়াতাড়ি তাঁত শিল্প নিয়ে কাজ করছি। আমার বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাঁত শিল্পের উন্নতির জন্য বিস্তর চেষ্টা চালাচ্ছে।"8
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
রায়গঞ্জের মঞ্চে বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী
বুথ দখল ঘিরে সতর্কবার্তা মমতার
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়