নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - সংসার চালাতে গিয়ে বাজারে করে ফেলেন অনেকেই। পরের কথা না ভেবে সেইসময়টুকু সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালান তারা। তবে মেটানোর সময় এলে ফের কপালে হাত। এইসময়ই আত্মহত্যার মত নির্মম সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভাবনা আসে মাথায়। এমনই একটি ঘটনার আঁচ পাওয়া গেছে মালদহের কালিয়াচকের গয়েশবাড়ি এলাকায়। যেখানে আগ্নেয়াস্ত্রের সাহায্যে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার কথা ভাবেন এক ২৬ বছর বয়সী যুবক।
সূত্রের খবর , পেশায় প্লাস্টিক ব্যবসায়ি আজিম শেখ। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে আর্থিক দেনা ছিল তার। ঘরে এক ছেলে , এক মেয়ে। বুধবার হঠাৎই বন্দুক দিয়ে মাথায় গুলি চালান। এরপরই আত্মীয়রা তাকে বেসরকারি একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসারত আজিম শেখ। খবর পেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয় ওই আগ্নেয়াস্ত্র। কিভাবে ওই বন্দুক এল তার কাছে , কেনই বা আত্মহত্যা করতে গেলেন , সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
আজমের মেজবৌদি রেশমা খাতুন বলেছেন , "আমি ঘরে খাবার খাওয়ার সময় একটা শব্দ শুনতে পাই। এরপর দাদার ঘিরে গিয়ে দেখি কানে হাত দিয়ে শুয়ে পড়েছে। আমি স্বামীকে ডাকার পর দেখি রক্ত ও গুলি। শাশুড়ি মাকেও ডাক দি। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বৌদি তখন বাড়ি ছিল না। আমার মনে হয় আর্থিক দেনার জন্যই দাদা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন আগের থেকে একটু সুস্থ তবে বিপদ কাটেনি।"

বিজেপি জেলা সভাপতি অজয় গাঙ্গুলি বলেছেন , "গুলি নিজেকে চালাক বা অন্য কাউকে, ঘটনাটা ভীষণই ভয়ঙ্কর। টিভি খুললেই দেখা যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তাহলে এগুলি তারা পাচ্ছে কোথা থেকে। আর যে সে বন্দুক নয় , একেবারে ভাল মানের বন্দুক। এগুলো সবটাই শাসক দলের মজুত করে রাখা আগ্নেয়াস্ত্র। সবটাই বোঝা যায়। এইভাবে সকলের কাছে তারা আগ্নেয়াস্ত্র ছড়িয়ে রেখেছে। তবে এর তদন্ত করা উচিত। আমি নিশ্চিত তদন্ত করলেই প্রচুর পাওয়া যাবে।"

জেলা তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেছেন , "পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। তারা তদন্ত শুরু করেছে। কীভাবে ওই অস্ত্র এল , কেনই বা আত্মহত্যার চেষ্টা , সবটাই বেরোবে। আর বিরোধী দল তো পশ্চিমবঙ্গকে অশান্ত করার চেষ্টা করবেই। ওরাই বরং বিহার ঝাড়খণ্ড থেকে প্রচুর পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আসছে।"
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়