নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ দিনাজপুর - বিদ্যুতের বকেয়া বিল মেটাতে গিয়ে সর্বস্ব হারাতে হল এক আদিবাসী বৃদ্ধ দম্পতিকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এক লক্ষ টাকারও বেশি বিদ্যুৎ বিল মেটাতে নিজের ৯ শতক জমি বিক্রি করতে এবং আরও কিছু জমি লিজ দিতে বাধ্য হয়েছেন দরিদ্র কৃষিজীবী আদিবাসী বৃদ্ধ। প্রশ্ন উঠছে বিদ্যুৎ দফতরের বিল নির্ধারণ পদ্ধতি এবং আদায় প্রক্রিয়া নিয়ে।

স্থানীয় সূত্রের খবর, কুমারগঞ্জ ব্লকের বড়িপুকুর এলাকার বাসিন্দা বিশান হেমরম ও তার স্ত্রী সীতা বাস্কে। ১০ বছর আগে ইন্দিরা আবাস যোজনায় পাওয়া দুটি টিনের ঘরেই কোনও মতে দিন কাটে তাদের। আজও সেই ঘরে নেই প্লাস্টার, নেই খাট বা চৌকি। চরম শীতের রাতেও মেঝেতে চাদর পেতে ঘুমোতে হয় বৃদ্ধ দম্পতিকে। প্রায় এক বছর ধরে তাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। বিদ্যুৎ দফতরের তরফে জানানো হয়েছিল বিপুল পরিমাণ বকেয়া বিলের কারণেই সংযোগ কেটে দেওয়া হয়েছে। গত পাঁচ বছরের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে ৭৩ হাজার টাকা। তার সঙ্গে সুদ বাবদ আরও ৩৫ হাজার টাকা যোগ করে মোট দাবি করা হয় এক লক্ষ সাত থেকে আট হাজার টাকা। আর্থিক সংকটে পড়ে মঙ্গলবার ৯ শতক জমি বিক্রি করে এবং আরও কিছু জমি লিজ দিয়ে এক লক্ষ দশ হাজার টাকা জোগাড় করেন তারা। ওই দিনই তারা বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে টাকা জমা দেন।

বিশান হেমরম জানিয়েছেন, "এর আগে একাধিকবার বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা এলাকায় এলেও বিল তুলতে পারেননি। আমাদের বলেছিল মিটারে সমস্যার কারণে বিল নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। আমাদের থেকে প্রায় এক লক্ষ তিন হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে তিনটি রসিদ মিলিয়ে মোট অঙ্ক দাঁড়াচ্ছে ৯৮,৩৪০ টাকা। ফলে বাকি প্রায় পাঁচ হাজার টাকা কোথায় গেল, তা জানি না। বাড়িতে মাত্র ২ টি বাল্ব জ্বলত আর একটি টিভি চলত, সেখানে পাঁচ বছরের বিদ্যুৎ বিল ৭৩ হাজার টাকা কীভাবে হল? সমস্ত টাকা জমা দেওয়ার পর মঙ্গলবার বিকেল নাগাদ বাড়িতে ফের বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়।"
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর