নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব মেদিনীপুর - প্রতিশ্রুতি মিলেছে, চাকরি নয়। এই ক্ষোভেই পাণ্ডবেশ্বর কোলিয়ারির প্রধান গেট আটকে বিক্ষোভে নামেন জমিদাতারা। ২০১৮ সালে জমি দিয়েও এখনও হাতে আসেনি প্রতিশ্রুত চাকরি, তাই পরিবহন ও কনভেয়ার বেল্ট বন্ধ রেখে শুরু হয়েছে আন্দোলন।

সূত্রের খবর, পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বর কোলিয়ারিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয় উত্তেজনা। কোলিয়ারির প্রধান গেট আটকে বিক্ষোভে নামলেন জমিদাতারা। তাদের দাবি, ২০১৮ সালে ইসিএল সিবি অ্যাক্টের মাধ্যমে জমি নেওয়া হয়েছিল মোট ২২ জন জমিদাতার কাছ থেকে। তখনই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল জমির বিনিময়ে চাকরির। কিন্তু এতদিন কেটে গেলেও সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষিত হয়নি।

জমিদাতা পবন ব্যানার্জি বলেন, “আমরা ২২ জন জমিদাতা ২০১৮ সালে ইসিএল-এর হাতে জমি দিয়েছিলাম। তখন স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি ছিল জমির বিনিময়ে প্রত্যেককে চাকরি দেওয়া হবে। সাত বছর পার হয়ে গেল, কিন্তু এখনও আমরা শুধু আশ্বাসই শুনছি। পরিবারের ভরনপোষণের জন্য এই চাকরি আমাদের একান্ত প্রয়োজন।”

আরেক জমিদাতা রানা গোস্বামীর অভিযোগ, “কোলিয়ারির আধিকারিকেরা বারবার বৈঠক ডেকে বলেছেন কাজ হবে, কিন্তু বাস্তবে কিছুই ঘটেনি। তাই বাধ্য হয়ে আজ আমরা গেট বন্ধ করে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি।”

অন্যদিকে, আন্দোলনকারীদের পাশে এসে দাঁড়ান দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লক সভাপতি শতদ্বীপ ঘটক। তিনি বলেন, “জমিদাতাদের এই দাবি একেবারেই ন্যায্য। ইসিএল কর্তৃপক্ষ প্রতিশ্রুতি দিয়ে কথা রাখেনি। আমরা শ্রমিক সংগঠন ও দলীয় স্তর থেকে তাদের পাশে আছি এবং দাবি মানা না হলে আরও বড় আন্দোলন হবে।”

শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি ও কে কে এস সির- এরিয়া সেক্রেটারি বিন্দু দেব জসও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যতদিন না প্রতিশ্রুতি পূরণ হচ্ছে, এই আন্দোলন চলবে। প্রয়োজনে আমরা বৃহত্তর কর্মসূচি নেব। জমিদাতাদের কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, দ্রুত চাকরির ব্যবস্থা না হলে আগামী দিনে আরও বড় বিক্ষোভ হবে, এমনকি আমরণ অনশনেও বসতে পিছপা হবেন না তারা।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়