নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - পরিবার নেই, খোঁজও নেয় না কেউ। তবে ভাতৃদ্বিতীয়ার শুভ লগ্নে সেই একাকীত্ব ভরে উঠল ভালোবাসায়। এক সরকারি আধিকারিক নিজ হাতে কপালে ফোঁটা দিলেন বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের, আর মুহূর্তে ভরে উঠল আবেগে সারা পরিবেশ।

স্থানীয় সূত্রের খবর, চুঁচুড়ার কারবালা মোড়ের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান আরোগ্য - তে বসেছিল এই অনন্য ভাইফোঁটার আসর।এইদিন সব বৃদ্ধ-বৃদ্ধার কপালে ফোঁটা দিলেন চুঁচুড়া সদর মহকুমা শাসক স্মিতা সান্যাল শুক্লা।সেই মুহূর্তে আশ্রম জুড়ে তৈরি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ। বোনের আশীর্বাদ পেয়ে বৃদ্ধদের চোখে জল, আর বোনের চোখেও চিকচিক করছে ভালোবাসার আলো।

আরোগ্য নামের এই সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে প্রায় চল্লিশজন বৃদ্ধ-বৃদ্ধা থাকেন। কারও পরিবার নেই, কারও আছে কিন্তু তারা খোঁজ নেয় না। তাই তাঁদের জন্যই আয়োজিত হয় নানা উৎসব ও অনুষ্ঠান।শেষ বয়সে পরিবারের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত মানুষগুলোর কাছে এই দিনটা হয়ে রইল এক স্মরণীয় মুহূর্ত। মানবিকতার এই ছবি দেখাল, এখনও পৃথিবীতে মমতা ও সম্পর্কের উষ্ণতা বেঁচে আছে।

মহকুমা শাসক স্মিতা সান্যাল বলেন, “ভালো অফিসারের থেকেও বড় কথা, ভালো মানুষ হওয়া। আমাদের জীবন লম্বা হতে পারে, কিন্তু কতটা মানুষের পাশে থাকতে পারলাম, সেটাই আসল সার্থকতা। যেখানেই থাকি, এই সম্পর্ক থেকে যাবে। চেষ্টা করব প্রতিবছর এই দিনটায় আসতে।”

অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার ইন্দ্রজিৎ দত্ত বলেন, “এখানকার আবাসিকরা যেন না মনে করেন তাদের কেউ নেই, তাই আমরা সব উৎসব করি। আজ যখন চারপাশে উলু ও শঙ্খধ্বনিতে ভাইফোঁটার আনন্দ, তখন ওদের মন খারাপ হতে পারে। তাই এই উদ্যোগ।”

তিনি আরও জানান, “মহকুমা শাসক সত্যিই অন্যরকম মানুষ। গতবারও এসেছিলেন। আজও এলেন। যখন তিনি ফোঁটা দিলেন, তখন সবার চোখে জল। এই জল ভালোবাসা আর প্রাপ্তির।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়