নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - অনুমতি ছাড়াই বেআইনিভাবে একাধিক মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে চাঁদুরিয়া গ্রামে। এর জেরে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন এলাকার মানুষ। এখন দেখার, কত দ্রুত এই অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , ব্রহ্মপাড়া ২১ নম্বর ওয়ার্ডে মানুষের নজরে আসে কয়েকজন বিশাল আকারের মেহগনি গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য প্রশাসনের কোনও অনুমোদন নেই। এরপর এলাকাবাসী বন দফতরে খবর দেয়। দু'জন আধিকারিক ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও কাজ বন্ধ না হওয়ায় ক্ষোভ আরও বাড়ে।

এ প্রসঙ্গে এলাকার প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য গোয়ার ঘোষ জানান, 'এই ধরনের গাছ কাটতে গেলে অবশ্যই প্রশাসনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। যাঁরা এমন কাজ করছেন তাঁরা সম্পূর্ণ অন্যায়ের পথে হাঁটছেন। গ্রামের মানুষ এখন বিষয়টি নিয়ে বিচার করবে, তাঁদের মতই শেষ কথা'।
চাকদহ বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থার সভাপতি বিবর্তন ভট্টাচার্য্য জানান, 'গাছ কাটার ফলেই বিশ্ব উষ্ণায়ন বাড়ছে। সেই বাস্তবতা জেনেও কোনওভাবেই এই ধ্বংসযজ্ঞ মেনে নেওয়া যায় না। এতে অক্সিজেনের ভারসাম্য কমবে, ভবিষ্যতে মানুষের মৃত্যুঝুঁকি বাড়বে। ঘটনার তীব্র বিরোধিতা করছি। অবিলম্বে কাজ বন্ধের দাবি জানাচ্ছি'।
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর