নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - ফের রাজনৈতিক গাফিলতিতে দুর্ভোগের মুখে সাধারণ মানুষ। অভিযোগ উঠেছে, একটি গুরুত্বপূর্ণ জল জীবন প্রকল্পের কাজ দীর্ঘদিন ধরে থমকে গেছে। মাসের পর মাস প্রকল্পে কাজ করার পরও ঠিকাদাররা তাদের পাওনা বিল পাচ্ছেন না। আর্থিক সমস্যার কারণে ঠিকাদাররা ক্ষুব্ধ হয়ে PHE সরকারি দফতরের অফিস ঘেরাও করেছেন। শুধু বিক্ষোভ নয়, একাংশ ঠিকাদার অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন।

সূত্রের খবর, সরকারের দীর্ঘ উদাসীনতার কারণে মাসের পর মাস কাজ করেও শ্রমিকদের প্রাপ্য বেতন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কাজের সরবরাহও আটকে গেছে। ঠিকাদারদের অভিযোগ, এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপরও। অনেক গ্রামে এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানীয় জল পৌঁছাচ্ছে না। “অনেক পরিবার রুটি রুজি নিয়ে চিন্তায় পড়েছে। সাধারণ মানুষের পানীয় জল পাওয়ার স্বপ্নও ভেঙে পড়েছে,” জানান আন্দোলনকারীরা।
অপরদিকে, দফতরের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঠিকাদাররা বলছেন, যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যাবে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, কাজ বন্ধ থাকায় মানুষের দৈনন্দিন জীবন বিপর্যস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে এই সময়ে পানীয় জল না পাওয়ায় অসুবিধা আরও বেড়েছে। শিশু ও বয়স্কদের জন্য এটি এক বড় সমস্যা তৈরি করেছে।

তাই তারা হাতে পোস্টার যেমন “ উপনির্বাচনের পেমেন্ট করতে হবে” , “খাবার জল সরবরাহ কাজের বকেয়া পেমেন্ট করতে হবে” এছাড়াও ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের পেমেন্ট করতে হবে “ এরকম একাধিক দাবি জানিয়ে পিএইচই অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকল্পে বিলম্ব বা কাজ বন্ধ থাকলে শুধুমাত্র শ্রমিক বা ঠিকাদার নয়, পুরো জনসাধারণই প্রভাবিত হয়। তাই জরুরি ভিত্তিতে সরকার এবং দফতরের উচিত দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা।

আন্দোলনকারী তপন চৌধুরী জানান, “পুজোর সময় আমাদের মধ্যে কোনো আনন্দের রেশ নেই। পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২০০০ কোটি টাকা বকেয়া আছে। আমাদের এলাকায় প্রায় ২০০ কোটি টাকা। অথচ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একে অপরকে দোষারোপ করছে। সুরাহা কেউ করতে পারছে না। আমাদের পরিবারগুলি নিয়ে আমরা যথেষ্ট চিন্তিত। পশ্চিমবঙ্গের সব জায়গায় এইভাবে জল জীবন প্রকল্প আটকে থাকলে আগামী আমাদের আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথ বেছে নিতে হবে।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়