নিজস্ব প্রতিনিধি , মুম্বই - কেতন হত্যা মামলায় সামনে এল আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পরচুলা বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই তদন্তে উঠে এসেছে সিয়া গোয়ালের নতুন বয়ান। এই বক্তব্য সামনে আসতেই মামলার নেপথ্যের আসল কারণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, অভিযুক্তদের বয়ানে এখনও একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে। ফলে রহস্য পুরোপুরি কাটেনি।
গত ১৮ জুন পুণের লোণাভলার লোহাগড় দুর্গে কেতন আগরওয়ালের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসে। প্রথমে সেটিকে দুর্ঘটনা বলে মনে করা হলেও পরে খুনের অভিযোগ ওঠে। তদন্তে নেমে পুলিশ গ্রেফতার করে কেতনের বাগদত্তা সিয়া গোয়াল ও তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীকে। তারপর থেকেই দু'জনকে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় বারবার বদলাচ্ছে তাঁদের বক্তব্য। সেই কারণেই প্রকৃত উদ্দেশ্য জানার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তদন্তকারীরা।
'দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া'-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি জেরার সময় সিয়া দাবি করেন, কেতন নিয়মিত পরচুলা ব্যবহার করতেন। বিষয়টি তাঁর পছন্দ ছিল না। তদন্তকারীরা তখন জানতে চান, তা হলে তিনি বিয়েতে রাজি হলেন কেন। উত্তরে সিয়া বলেন, পরিবারের সম্মান ও বাবা-মায়ের সামাজিক মর্যাদার কথা ভেবেই তিনি আপত্তি প্রকাশ করতে পারেননি। পরিবারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যাওয়ার সাহসও তাঁর ছিল না।
এরপর কেতনকে কেন হত্যা করা হল, সেই প্রশ্নও করা হয়েছিল সিয়াকে। তখন তিনি দাবি করেন, পরিবারের কাছে 'বিয়ে করব না' এই কথা বলা তাঁর পক্ষে খুব কঠিন ছিল। এমনকি তাঁর দাবি, সেই কথা জানানোর চেয়ে কেতনকে পথ থেকে সরিয়ে দেওয়াই অনেক সহজ ছিল। সিয়ার এই মন্তব্য শুনে তদন্তকারীরাও বিস্মিত হন। তাঁর বয়ান তদন্তের স্বার্থে নথিভুক্ত করা হয়েছে। জেরার সময় সিয়া আরও দাবি করেন, তিনি নাকি আগেই কেতনকে জানিয়েছিলেন যে তাঁকে বিয়ে করা সম্ভব নয়। কিন্তু কেতন সেই সম্পর্ক ভাঙতে রাজি ছিলেন না। সেই কারণেই তাঁকে খুনের পরিকল্পনা করা হয় বলে পুলিশের কাছে দাবি করেন সিয়া।
যদিও এই বক্তব্যের সত্যতা এখনও যাচাই করা হচ্ছে। অন্যদিকে, কেতনের বাবা বিশাল আগরওয়াল সিয়ার দাবি পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, কেতন যে পরচুলা ব্যবহার করতেন, সেই তথ্য কখনও গোপন রাখা হয়নি। বাগদানের আগেই সিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়েছিল। তখন কোনও আপত্তি তোলা হয়নি। তাই পরচুলাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয় বলেই দাবি তাঁর।
এদিকে সিয়ার ভাই সাহিল গোয়ালকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তদন্তে জানা গেছে, চেতন চৌধুরীর সঙ্গে সিয়ার সম্পর্কের কথা পরিবারের সকলেই জানতেন। তবে সেই সম্পর্ক মেনে নিতে রাজি ছিল না পরিবার। সূত্রের খবর, আর্থিক অবস্থার ফারাকের কারণেই চেতনের সঙ্গে মেয়ের সম্পর্ক নিয়ে আপত্তি ছিল সিয়ার পরিবারের। সেই কারণেই আগরওয়াল পরিবারের সঙ্গে বিয়ের আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে।
তদন্তকারীদের অনুমান, চেতনের কাছ থেকে সিয়াকে দূরে সরানোর উদ্দেশ্যেই এই বিয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনে। কেতনকে কেন খুন করা হল, তার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সেই উত্তর খুঁজতেই অভিযুক্তদের আরও জেরা করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এই মামলায় আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।
ময়নাতদন্তে জানা গেল, মৃত্যুর সময় অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার, ঘটনাকে ঘিরে আরও ঘনীভূত রহস্য
উত্তমের পাশপাশি সত্যজিৎ রায়ের কথাও বলেন মোদি
২ দিন পর মায়ের কাছে ফিরল ৮ বছরের শিশু
এমসিএ-র ৫ রেস্তরাঁর লাইসেন্স সাসপেনশনে আদালতের আপত্তি, নিয়মের ফাঁসে আটকে থাকার প্রশ্ন
চার দিনের বিদেশ সফরে মধ্য এশিয়ায় কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্য
আন্দোলন নিয়ে মোদির মত কী, স্পষ্ট করার দাবি দীপকের, বৈঠক ঘিরে সরব আপও
কান্না শুনে ছুটে এলেন স্থানীয়রা
নিজের হাতে স্কুল চত্বর ঝাড়ু দেন প্রধান শিক্ষকও
খাড়গের সভাস্থল শুদ্ধিকরণ নিয়ে সরব রাহুল, ২০ দিন পর দলিত অপমানের বিচার দাবি
নেপাল থেকে ফিরলেন ২১ তামিল পর্যটক, চোখের সামনে ভেসে গেল দু’টি বাস! বর্ণনায় শিউরে উঠবেন
গ্যাসের দাম বাড়তেই বাড়ল পরিবহণ খরচ
এই ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে ব্যবসায়ী মহলের সঙ্গে আলোচনা, ভারত-আমেরিকা অর্থনৈতিক সম্পর্কেও নজর
বিদেশি সাহায্য নিতে প্রথমে আপত্তি ছিল কাঠমান্ডুর, শেষ পর্যন্ত ভারতের প্রস্তাবে সায়
ভাইয়ের জীবনে ফিরল নতুন আশার আলো
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের