নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - সম্প্রতি বিজেপির প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা যায় তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। রাজ্যের ক্ষমতার পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী এই কর্মসূচিতে বিরোধী দলের হাই-প্রোফাইল নেত্রীকে দেখা যাওয়া মাত্রই দলবদলের জল্পনা ও নানা গুজব ছড়াতে থাকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া তীব্র রাজনৈতিক চর্চার মাঝেই সাংবাদিক বৈঠকে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী।
মঙ্গলবার কল্যাণীর এই মেগা বৈঠকে মূলত নদীয়া, হুগলী , উত্তর ২৪ পরগণা-এই ৩ জেলার উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে প্রশাসনিক আধিকারিকদের পাশাপাশি শাসক ও বিরোধী দলের বহু সাংসদ ও বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। সেখানে বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি সবাইকে চমকে দেয়।
এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী দাবি, আগে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের কোনো গুরুত্ব দেওয়া হতো না। এমনকি বিডিও বা থানার ওসি-রাও তাদের ফোন ধরতেন না। এই খামখেয়ালিপনা বন্ধ করতেই এবার সবাইকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বৈঠকে বারাসত এলাকার নিকাশী ব্যবস্থার উন্নয়ন, সুটি ও বাণীকণ্ঠ নোয়াইখাল সংস্কার, দেগঙ্গায় সোলার লাইট বসানো, সীমান্ত এলাকায় জলাশয় ভরাট রোখার মতো একাধিক জরুরি দাবিদাওয়া তুলে ধরেন বারাসতের সাংসদ। দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পর মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল সাংসদকে খোশমেজাজে হাত মেলাতেও দেখা যায়।
প্রশাসনিক বৈঠকের পর আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'আমরা বিশেষ বিশেষ এমপিদের ডেকেছিলাম। আজকে বিশেষ বিশেষ এমপিদের মধ্যে বারাসতের এমপিকে আমরা বিশেষ বিশেষভাবে ডেকেছিলাম। তিনি সহযোগিতা করেছেন। রাজনৈতিক বৈরিতা ভুলে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ। যারা অনেকদিন পর সত্যি কথা বলছেন, তারাই বিশেষ বিশেষ সাংসদ। যারা বলছেন, আপনারা আমাদের স্বাধীনতা পাইয়ে দিচ্ছেন। রাজনৈতিক লড়াই শুধুমাত্র নির্বাচনের সময়ই হওয়া উচিত, উন্নয়নের কাজে নয়'।
বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, 'শুভেন্দুর সঙ্গে আমার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের, অত্যন্ত পুরনো। ও আমার কাজের ধরন খুব ভালো করেই জানে, আমিও ওর কর্মপদ্ধতি জানি। সেই কারণেই আমাকে এই বৈঠকে ডেকেছে। আর দিনশেষে আমাকে তো মানুষের জন্য, এলাকার উন্নয়নের জন্যই কাজ করতে হবে। আগে কোনো বৈঠকে নিজের কথা বলার সুযোগ পেতাম না, আজ সেই সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত খুশি'।
শনিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির দাপট, দক্ষিণবঙ্গে কমবে তাপমাত্রা, উপকূলে জারি সতর্কতা
সংস্কারের কাজ সম্পন্ন হলেই ঘর পাবে তৃণমূল বিধায়করা
২০০৫ সালের পুরভোটের স্মৃতি টেনে রামগড়-সহ একাধিক এলাকার তদন্তের দাবি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর
পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রের সাফাই, মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ
বকরি ঈদে কলকাতা মেট্রোতে বিশেষ পরিষেবা! ব্লু, গ্রিন ও ইয়েলো লাইনে শনিবারের সূচি কার্যকর
শুক্রবারের বদলে কমানো হল ট্রিপ সংখ্যা, তবে প্রথম ও শেষ ট্রেনের সময় অপরিবর্তিত
নদীয়ার কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে উন্নয়ন, অন্নপূর্ণা যোজনা ও হোল্ডিং সেন্টার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা
কালবৈশাখীর দাপটে দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টি, উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা
"আমি নিজে লোগো এঁকেছিলাম, আমার উপর রাগ থাকতেই পারে, কিন্তু শিল্পকেই কেন ভাঙা হল?" সল্টলেক স্টেডিয়ামের সামনে ভাস্কর্য ভাঙার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ মুখ্যমন্ত্রীর
আইএসএলে যোগ্যতা অর্জনের পর দেরিতে প্রতিক্রিয়া, রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে উঠছে ভবিষ্যৎ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন
সৌদি আরবের সাহায্যে এগিয়ে এল পাকিস্তান, চুক্তি মেনে রিয়াদে মোতায়েন হলো পাক সেনা
খাওয়াদাওয়ার মাঝেই রক্তগঙ্গা! তুরস্কের রেস্তরাঁয় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ৪, আহত ৮
ইরানে বিষ্ণু মন্দিরের ইতিহাস জানালেন অমিতাভ বচ্চন
‘ইন্টারনেটের তারেও এবার ভাড়া দেব’! ট্রাম্পের চিনের সফরের পরেই মার্কিন টেক জায়ান্...
জেলেনস্কির বদলা! ৫০০ ড্রোনের ধাক্কায় কাঁপল মস্কো, এক বছরের বড় হামলায় বিপর্যস্ত র...