নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - ফের আরও একবার সমবায় সমিতির নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হল শাসক তৃণমূল কংগ্রেস।এবার ক্ষেত্র বাঁকুড়া-২ ব্লকের বিকনা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত সেন্দড়া সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি। মোট ৯টি আসনেই তৃণমূল প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। শুক্রবার ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। কিন্তু অন্য কোনও রাজনৈতিক দল থেকে একজনও প্রার্থী মনোনয়ন জমা না দেওয়ায়, সব আসনেই তৃণমূল প্রার্থীদের জয় ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
সূত্রের খবর, রাজনৈতিক মহলে এই ফল নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, বাঁকুড়া-২ ব্লক বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবেই পরিচিত। সেখানেই বিরোধীদের লড়াইয়ের সুযোগ না পেয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভকে, অনেকেই তৃণমূলের বড় সাফল্য বলে মনে করছেন। এমনকি দলের অন্দরে মনে করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই জয় শাসক শিবিরকে নতুন অক্সিজেন জোগাবে।
ফল ঘোষণার পরই আনন্দোৎসবে মেতে ওঠেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। সমবায়ের নমনি যুক্ত সেক্রেটারি সমীপ্ত কুমার নন্দী বলেন, “গ্রামের মানুষ উন্নয়নের পক্ষে আস্থা রেখেছেন তৃণমূলের ওপরেই। তাই অন্য কেউ মনোনয়ন দিতে সাহস পায়নি। এই জয় আসলে মানুষের আশীর্বাদ।"

অন্যদিকে, বাঁকুড়া ২ ব্লক তৃণমূল সভাপতি বিধান সিংহ বলেন, লোকসভা ভোটে তুলনামূলকভাবে এই এলাকায় আমাদের ভোট কমেছিল। কিন্তু কর্মীরা ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। এখন সকলে প্রতিজ্ঞা করেছে, বাংলা বিরোধী বিজেপিকে উচিৎ শিক্ষা দেবে।"

অবশ্য এই জয়ের কৃতিত্ব একেবারেই মানতে নারাজ বিজেপি। বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির যুব সভাপতি কল্যান চ্যাটার্জীর দাবি, "বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পাওয়া মানেই গণতন্ত্রকে লুট করা। সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে, চাপ সৃষ্টি করে মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল জোর করে এই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। আসল ছবি ভোট সঠিক ভাবে হলে বোঝা যেত।"

সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়