নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - বিজয়া সম্মিলনী উপলক্ষ্যে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এক সাংগঠনিক সভার আয়োজন করা হয় পাত্রসায়েরে। এই সভার মঞ্চ থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুব্রত দত্ত দলীয় নেতা সহ কর্মীদের উদ্দেশ্যে সাফ বার্তা দেন - দলের কাজে ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না।
সূত্রের খবর , সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা সভাপতি স্পষ্টভাবে জানান , অঞ্চল সভাপতি , বুথ সভাপতি কিংবা যে ব্লকের নেতাই হোক না কেন , যদি তাদের কাজে গাফিলতি হয় তবে কাউকে রেয়াত করা হবে না। কেউ যদি কাজ না করেন , তাকে চেয়ারে বসিয়ে রাখা হবে না। একজন ৬৯ বছরের বৃদ্ধ দিনরাত পরিশ্রম করছেন , আর কিছু অঞ্চল সহ বুথ সভাপতি শুধু চেয়ারে বসে পা দোলাচ্ছেন। এই চিত্র বরদাস্ত করা হবে না। প্রয়োজনে একদিনেই তাদের চেয়ার কেড়ে নেওয়া হবে। বলে দাবি করেন তিনি।

শুধু তাই নয় , পঞ্চায়েত সমিতি সহ জেলা পরিষদের সদস্যদের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা দিয়ে জেলা সভাপতি বলেন , "তোমরা যদি মনে করো , নির্বাচন হয়ে গেছে এখন দলের কাজ তোমাদের না করলেও চলবে - সেটা কিন্তু দল মেনে নেবে না। যারা দলের দায়িত্ব পালন করবেন না তাদের 'কলম' কেড়ে নেওয়া হবে।"
জেলা সভাপতির হুঁশিয়ারি এখানেই শেষ হয়নি। তিনি বলেন , "যদি ব্লক সভাপতি কিছু না করেন , তবে আমি জেলা সভাপতি হিসেবে হস্তক্ষেপ করব। ব্লক কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে - দলীয় নিষ্ক্রিয়তা বরদাস্ত করা হবে না।"
বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চ থেকে আসা এই কড়া বার্তা ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ২০২৬ সালের নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূল যে এবার আরও কড়া হাতে সংগঠন চালাতে চলেছে , তার ইঙ্গিত স্পষ্ট।
পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুব্রত দত্ত জানান , "এটা কোনও হুঁশিয়ারি নয়। ২০২৬ সালের নির্বাচন জেতার জন্য সংগঠনে গতি আনার প্রয়োজন। সেই উদ্দেশ্যেই এই বার্তা দেওয়া হয়েছে। যারা নির্বাচিত হয়েছেন , তাদের দায়িত্ব মানুষের জন্য কাজ করা। কেউ যদি দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করেন , তবে দল তার পাশে থাকবে না।"

এই মন্তব্য ঘিরে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। সোনামুখী বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি জানান , "২০২৬ - এর নির্বাচনে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার প্রতিটি বিধানসভায় তৃণমূল হেরে যাবে , সেটাই জেলা সভাপতির মনের আতঙ্ক। তাই তিনি আজ ভুলভাল বকছেন।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়