নিজস্ব প্রতিনিধি, হুগলী - ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে বিজ্ঞানভিত্তিক পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এবং তাদেরকে বিজ্ঞানের গুরুত্ব বোঝাতে আয়োজিত হল এক বিশেষ কর্মশালা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক ও উদ্ভাবনী চিন্তাধারায় উদ্বুদ্ধ করা, যাতে তারা আগামী দিনে দেশের উন্নয়নে নিজেদের ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্রের খবর, এই কর্মসূচিতে অংশ নেয় চন্দননগরের দশটি বিদ্যালয়ের প্রায় সাড়ে চারশো ছাত্র ছাত্রী। পড়ুয়াদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেন কলকাতার CSIR- Central Glass and Ceramic Research Institute (CGCRI) এর বিজ্ঞানীরা। তারা বাস্তব জীবনের নানা উদাহরণ ও সহজ পরীক্ষার মাধ্যমে বুঝিয়ে দেন, কীভাবে বিজ্ঞান আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন পরীক্ষানিরীক্ষা দেখিয়ে বোঝান কীভাবে বৈজ্ঞানিক চিন্তা ও প্রযুক্তির ব্যবহার সমাজকে বদলে দিতে পারে। কেউ দেখান কীভাবে সহজ উপকরণ দিয়ে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করা যায়, কেউ বোঝান প্রযুক্তির সাহায্যে কীভাবে দেশ আরও আত্মনির্ভর হতে পারে। এমনকি পড়ুয়াদেরও অংশ নিতে উৎসাহিত করা হয় নানা পরীক্ষায়, যাতে তারা নিজেরাই বিজ্ঞানের মজা ও গুরুত্ব বুঝতে পারে। প্রদর্শনীতে বিজ্ঞানীরা তাদের নিজস্ব গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিগত কাজের দিকও তুলে ধরেন। তারা বলেন, অনেক গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সামগ্রী ও প্রযুক্তি আগে বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো, কিন্তু এখন দেশের বিজ্ঞানীরাই সেগুলি তৈরি করছেন। এতে শুধু দেশের সুরক্ষা নয়, আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্নও পূরণ হচ্ছে।
একজন বিজ্ঞানী বলেন, “আজকের ছাত্র ছাত্রীরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী। তাদের কৌতূহল, প্রশ্ন করার অভ্যাস ও নতুন কিছু জানার আগ্রহই দেশের অগ্রগতির মূল শক্তি। তাই হাতে কলমে শেখানোই তাদের মধ্যে বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা গড়ে তুলবে।” ছয়জন অভিজ্ঞ বিজ্ঞানীর দল এদিন পড়ুয়াদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ধারণা সহজভাবে বোঝান। তারা পড়ুয়াদের উৎসাহিত করেন নতুন কিছু ভাবতে, নিজেরা পরীক্ষা করতে এবং ভুল থেকে শেখার সাহস অর্জন করতে।
বৈজ্ঞানিক মহলের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ আগামী প্রজন্মের মধ্যে যুক্তিবাদী ও গবেষণামূলক মানসিকতা গড়ে তুলবে। ছাত্র-ছাত্রীরা শুধু বইয়ের পাতায় নয়, বাস্তব জীবনের উদাহরণ দেখে বিজ্ঞানকে বুঝতে পারবে। এর ফলে দেশের বিজ্ঞানচর্চা আরও এগিয়ে যাবে এবং নতুন উদ্ভাবনের পথ খুলে যাবে। সব মিলিয়ে, চন্দননগরের এই উদ্যোগ প্রমাণ করল, বিজ্ঞান শুধু পাঠ্যবইয়ের বিষয় নয়, এটি জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে ব্যবহারযোগ্য এক জীবন্ত বাস্তবতা।
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর