নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - পরিবারে অশান্তি, চারপাশে ত্রিকোণ প্রেম জনিত চাপা গুঞ্জন। শেষমেশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর। ঝুলন্ত অবস্থায় নিজের বাড়ি থেকেই উদ্ধার হল বিজেপির মণ্ডল সভাপতি মনোজ চক্রবর্তী (৪৫)এর দেহ। রবিবার সকালে ফাঁকা বাড়ি থেকে এই দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়েন স্ত্রী বন্দনা চক্রবর্তী। প্রাথমিক অনুমানে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবেই ধরা হচ্ছে।
সূত্রের খবর, শ্রীরামপুর ২০ নং ওয়ার্ডের দীনবন্ধু চ্যাটার্জি লেনের বাসিন্দা বিজেপি নেতা ওরফে মনোজবাবু। ঘটনার সময় বাড়িতে কেউ ছিলেন না। স্ত্রী বন্দনা চক্রবর্তী উত্তরপাড়ার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে কর্মরত। শনিবার রাতে তাঁর নাইট ডিউটি থাকায় তিনি বাড়ির বাইরে ছিলেন। তাঁদের একমাত্র ছেলে, একাদশ শ্রেণির ছাত্র, প্রতিবেশী এক আত্মীয়ের বাড়িতে ছিল। মনোজবাবুর মা ছিলেন নিজের বোনের বাড়িতে। ফলে বাড়ি একেবারেই ফাঁকা ছিল।

রবিবার সকালে ডিউটি থেকে ফিরে এসে ঘরের দরজা খোলেন বন্দনা। তখনই তিনি দেখতে পান, স্বামী ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবেশীদের ডাকা হয় এবং খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে পাঠিয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, পারিবারিক অশান্তির জেরেই এই আত্মহত্যা।

স্ত্রী বন্দনা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে শ্রীরামপুরের এক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল মনোজবাবুর। সেই কারণে সংসারে নেমে আসে অশান্তি। তাঁর কাছে সেই সম্পর্কের ছবি ও তথ্যপ্রমাণও রয়েছে বলে দাবি করেন বন্দনা। তিনি আরও জানান, ছেলেকে নিয়েও অশান্তি হত।সংসারের কথা ভেবে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে বললেও মনোজ কোনও কথাই শোনেননি।

প্রতিবেশীরাও জানিয়েছেন, প্রায়ই ওই দম্পতির মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি হত। এক আত্মীয় বলেন, “গত পরশু খুব ঝগড়া হয়েছিল। আমরা বাসনপত্র ভাঙার শব্দও পেয়েছি। ছেলেটাকে প্রায়ই আমাদের বাড়িতে রেখে যেত ওরা।”
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর