নিজস্ব প্রতিনিধি ,আলিপুরদুয়ার - যে কাজে মন বসছে সেটাই আরও মন দিয়ে করা উচিত। শিক্ষার থেকেও হয়তো আর্থিক উন্নতি বেশি জরুরি বুঝিয়ে দিলেন হ্যামিল্টনগঞ্জের মহিলা কৃষক ভাইলেট জোজো। বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকতা ছেড়ে ফুল চাষে বিরাট উন্নতি করে গ্রামের কৃষকদের আয়ের পথ দেখালেন তিনি।

সূত্রের খবর , চাষবাসের নেশা ছিল আগাগোড়াই। শিক্ষকতার পাশাপাশি চাষবাসের বিষয়েও চর্চা করতেন। প্রথমে ধান চাষের কাজ শুরু করেন। তবে হাতির তাণ্ডবে সব ধান নষ্ট হয়ে যায়। এরপর শুরু করেন গাঁদা ফুল চাষ। এই ফুল চাষে ভীষণই পরিশ্রম করতে হয়। গত আগস্ট মাসে গাঁদা ফুল চাষ শুরু করেন। মাস দুয়েক যেতেই পুজো আসায় ফুলের চাহিদা বৃদ্ধি পেলে জোজোর গাঁদা ফুল বাজারে বিপুল দামে বিক্রি হয়। গনেশ পুজো থেকে শুরু করে ছটপুজো রমরমা বাজার চলে তার।
এরপর শীত আসতেই শুরু হয় বিয়ের মরশুম। ফুলের চাহিদা দাম আরও বাড়তে থাকে মানুষের। দিনের পর দিন লাভবান হতে থাকেন জোজো। তাই শিক্ষকতা ছেড়ে পুরোপুরি চাষাবাদে মনোযোগ দিয়েছেন তিনি। এমনকি একটি নার্সারিও খুলেছেন। যেখানে রয়েছে ৫০ টি প্রজাতির গাছ। ছোটো থেকে শুরু করে আজ নিজের দক্ষতায় আর্থিক দিক থেকে যথেষ্ট সম্বল তিনি। তাকে দেখে গ্রামের অনেকেই ফুল চাষে মনোযোগ দিয়েছেন। অনেককেই সাহায্য করছেন জোজো। মহিলা হয়েও পুরুষদের থেকে কোনো অংশে পিছিয়ে থাকেননি তিনি। বরং পুরুষদের আর্থিক উন্নতির রাস্তা দেখিয়ে দিলেন।

এ ই প্রসঙ্গে জোজো বলেন, "ধান চাষ ছেড়ে দেওয়ায় কোনো আফসোস নেই। উল্টো আগের তুলনায় পরিশ্রম কমেছে সঙ্গে আয়ও বেড়েছে। এছাড়া ক্রেতাদের থেকে ভাল সাড়া পাচ্ছি। ফুল চাষ নিয়েই আরও এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে আছে।আরও পরিকল্পনা রয়েছে। দেখা যাক কতটা সফল হতে পারি।"
এলাকার অন্য এক কৃষক ঘনস্যাম ছেত্রী বলেন , "আমরা কখনও ভাবিনি যে ফসল চাষের বাইরে এভাবে ফুল চাষ করেও ভালো আয় করা যায়। তবে ভাইলেটের এই চাষে আমরা সকলেই অনুপ্রাণিত হয়েছি। আগামীতে এলাকার অনেকেই এই ফুল চাষে এগিয়ে আসবেন। ও অনেক ভাল একটা রাস্তা দেখিয়েছে।"
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর