নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - চার নম্বর ওয়ার্ডের পঞ্চাননতলা গোয়ালাপাড়া থেকে দিল্লি রোড সংযোগকারী রাস্তা এখন যেন মৃত্যুফাঁদ। এই রাস্তা ঘিরেই গড়ে উঠেছে এলাকার প্রতিদিনের জীবনযাত্রা যেমন স্কুল, অফিস, বাজার সব কিছুর সংযোগস্থল এটি। তাই এই রাস্তায় সামান্য বিপত্তিও স্থানীয়দের জীবনে বড় প্রভাব ফেলে। কিন্তু বিগত প্রায় এক বছর ধরে সেই রাস্তাই বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। গর্ত, খানা খন্দে ভরা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা এখন কার্যত দুঃস্বপ্ন। ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন এলাকার মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে খবর, বৈদ্যবাটি পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের আমরুত জলপ্রকল্পের পাইপলাইন বসানোর পর থেকেই শুরু সমস্যা। প্রায় আট থেকে নয় মাস রাস্তাটি খুঁড়ে ফেলে রাখা হয়েছিল। তিন মাস আগে পৌরসভার তত্ত্বাবধানে কেএমডিএ শীতলাতলা থেকে নেতাজি হাই স্কুল পর্যন্ত রাস্তায় পিচ ঢালাই করে সংস্কার করেছিল। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, মাত্র এক মাসের মধ্যেই সেই পিচ উঠে যায়! পুরো রাস্তাজুড়ে এখন খানা খন্দ, ভাঙা অংশ আর গর্ত। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় দিন কাটছে এলাকার মানুষের।

পুজোর আগে তড়িঘড়ি করে রাস্তার উপরে জোড়া তাপ্পি দেওয়া হলেও তাতে কোনো উন্নতি হয়নি। বেরিয়ে রয়েছে ইট, রোলার দেওয়া হয়নি। ফলে রাস্তায় গাড়ি চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অভিযোগ, প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা।

স্থানীয়রা জানান, বারবার কাউন্সিলর ও পুরসভাকে জানানো হলেও কোনও স্থায়ী সমাধান হয়নি। এক বাসিন্দা বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে চলা মানেই জীবনের ঝুঁকি নেওয়া। কখনও বয়স্ক কখনও বাচ্চারা হুমড়ি খেয়ে পড়ে যাচ্ছে। পুজোর সময় কাউন্সিলরকে জানানো হলে তার অর্ডারে রাস্তায় কিছু খোয়া ফেলে যাওয়া হয়, যেটা বৃষ্টির ফলে একেবারে উঠে গর্ত হয়ে গেছে। ২-৪ মাসের মধ্যে নতুন পিচ রাস্তা কীভাবে এত খারাপ হয়? এত অভিযোগ করেও কেউ কান দেয়নি। আমরা একটা মজবুত রাস্তা চাইছি।”

অভিযোগ স্বীকার করেছেন চার নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রাজু পাড়ুইও। তিনি বলেন, “এখানে কোনো কমিশন দিতে হয়নি, তাই কলকাতার ঠিকাদার নেতাদের নাম ভাঙিয়ে এসে কাজ করেছে। তাদের গাফিলতির জন্যই আজ এই অবস্থা। পৌর ইঞ্জিনিয়াররা ঠিকভাবে তদারকি করেননি। এত টাকা খরচ করার পরেও যদি এরকম গাফিলতি দেখায় তাহলে যেই জায়গা গুলো পরিষেবা এখনও পায়নি তাদের কি হবে! আমিও আমার ওয়ার্ডের সর্বোচ্চ উন্নয়নের আশা রাখি।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়