নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ দিনাজপুর - রাজনীতির বাইরে গিয়ে মানবিকতার নজির। কথা দিয়েছিলেন বাড়ি গিয়ে দেখা করবেন আর সেই কথাই রাখলেন তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মহারাষ্ট্রের জেল থেকে মুক্তি পেয়ে ঘরে ফেরা বাংলার দুই পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে পৌঁছে তাদের পাশে দাঁড়ালেন তিনি।
দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের বাসিন্দা অসিত সরকার ও গৌতম বর্মন দুজনেই প্রায় এক বছর পর ফিরেছেন নিজের ঘরে। একমাত্র বাংলায় কথা বলার অপরাধে তাদের বাংলাদেশি তকমা দিয়ে মহারাষ্ট্রে জেলবন্দি করা হয় বলে অভিযোগ। দীর্ঘ সময় ধরে চরম হেনস্তা, অপমান ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে হয়েছে তাদের। বুধবার তাদের বাড়িতে পৌঁছে প্রায় কুড়ি মিনিট ধরে দুই পরিযায়ী শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
জেলবন্দি জীবনের দুঃসহ অভিজ্ঞতার কথা শুনে কার্যত শিউরে ওঠেন তিনি। অসিত ও গৌতমের দাবি, গ্রেফতারের খবর পেয়ে তারা স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। গৌতম বর্মনের স্ত্রী গিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের কাছেও। অভিযোগ, তখন আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও সাহায্য মেলেনি। এমনকি জেল থেকে মুক্তির বিনিময়ে দেড় লক্ষ টাকা দাবি করার অভিযোগও ওঠে।
শেষ পর্যন্ত তৃণমূল নেতৃত্বের সহযোগিতাতেই বাড়ি ফিরতে সক্ষম হন তারা। অভিষেক বলেন, ' কীভাবে তাদের হেনস্তা করা হয়েছে। তা আপনারা জানেন। কোনো কথা না শুনে বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দিয়ে জেলে ঢুকিয়ে দিয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের যতটুকু সামর্থ্য হয়েছে চেষ্টা করেছিলাম। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয় সাড়ে ৩-৪ মাস পর। তারপরেও কয়েক মাস কেটে যায়। ডিসেম্বরের শেষে দেখা হয়। বলেছিলাম ফিরে যান। বাড়ি গিয়ে দেখা করে আসব।'
অভিষেক আরও বলেন, 'পার্টি, পলিটিক্স পরে হবে। আমাদের তো একটা দায়িত্ব আছে। রাজনীতি করতে গিয়ে ১০ কোটি মানুষকে বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। কার স্বার্থসিদ্ধি হচ্ছে আমি জানি না। মানুষের চোখের জল বিফলে যাবে না। একদিন না একদিন অভিশাপ লাগবেই। বিজেপি মানুষের চোখের জল ফেলে জেতার চেষ্টা করছে আর আমরা মানুষের পাশে থেকে তাদের মন জিতছি এটাই পার্থক্য।'
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর