নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট পরিচালনা নিশ্চিত করতে বড়সড় নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে মোট ২,৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ভোটের আগে ধাপে ধাপে এই বাহিনী রাজ্যে পৌঁছবে বলে জানানো হয়েছে। দুই দফার ভোটের জন্য রাজ্যে আসতে চলেছে আরও ১৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্বাচনের সময় রাজ্যে মোতায়েন করা হবে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী জওয়ানদের পাশাপশি স্টেট আর্মড পুলিশ এবং ইন্ডিয়া রিজার্ভ ব্যাটালিয়নের সদস্যদের। নির্বাচন কমিশনের আবেদনের ভিত্তিতে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ফলে মোট বাহিনীর সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২৪০০ কোম্পানি। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। আগামী ৩১ শে মার্চের মধ্যে বাকি অতিরিক্ত ১,৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে রাজ্যে।
২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট পর্যন্ত এই বাহিনী পশ্চিমবঙ্গেই থাকবে বলে জানা গিয়েছে। অর্থাৎ দুই দফার ভোটে এখনও পর্যন্ত ২৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। প্রথম ধাপে ৩১ মার্চ রাজ্যে আসবে ৩০০ কোম্পানি বাহিনী। এর মধ্যে থাকবে সিআরপিএফের ১২৫ কোম্পানি, বিএসএফের ১০০ কোম্পানি, সিআইএসএফের ২৫ কোম্পানি এবং আইটিবিপি ও এসএসবির ২৫ কোম্পানি করে।
কমিশনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শমীক ভট্টাচার্য
বৃহস্পতিবার ধৃত আইনজীবীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়
আদালতের নির্দেশে খুশির হাওয়া তৃণমূলে
ভোটের মুখে বড় চাল বিজেপির
SIR এ ১৪২ ধারায় বিশেষ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ভোটারদের নিরাপত্তায় জেলায় জেলায় টহলদারি পুলিশের
কমিশনের বক্তব্যে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে
রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা মুখ্যমন্ত্রীর
ব্রাত্য বসুর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বির্তক
২৪ এপ্রিল যাদবপুর থেকে গড়িয়াহাট পর্যন্ত পদযাত্রার ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
প্রতীক জৈনের বউ ও ভাইকে তলব করা হয়েছে
ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
মঙ্গলবার রাত ৮ টায় ভার্চুয়াল বৈঠক অভিষেকের
১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়