নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী ( আরামবাগ ) - দীর্ঘ দিনের আইনি জটিলতার অবসান ঘটল। হুগলী জেলার আরামবাগ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আন্দীমহল্লা এলাকায় আদালতের নির্দেশে শুরু হল বস্তি উচ্ছেদ অভিযান। কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি অবশেষে ফিরে পেলেন প্রকৃত মালিক। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা আরামবাগ শহরে।
সূত্রের খবর , মঙ্গলবার সকালে হঠাৎই বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে হাজির হয় প্রশাসন। আরামবাগ থানার আইসি রাকেশ সিং নিজে উপস্থিত ছিলেন ঘটনাস্থলে। ছিলেন আরামবাগ মহকুমা আদালতের কর্মীরাও। আদালতের অর্ডার অনুযায়ী মালিকের অনুরোধে একটি জেসিবি আনা হয়। এরপর মুহূর্তের মধ্যে দোকানপাট, বাড়িঘর একে একে ভেঙে ফেলা শুরু হয়।

ঘটনার সূত্রপাত বহু বছর আগে। জমির প্রকৃত মালিক ১৯৬০ সালে প্রথমবার আদালতের দ্বারস্থ হন। তারপর নানা আইনি জটিলতা ও বাধার কারণে তিনি জমির দখল নিতে পারেননি। ১৯৮৫ সালে ফের আদালতে মামলা করেন। আদালতের রায় অনুযায়ী, প্রকৃত মালিকই জমির অধিকারী ,এই রায় মেলে। কিন্তু বাস্তবে সেই জমি দখল পেতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। স্থানীয় কিছু বাসিন্দা ও রাজনৈতিক দলের একাংশের সাহায্যে এলাকায় স্থায়ীভাবে গড়ে ওঠে বস্তি। বছরের পর বছর সেখানেই বসতি স্থাপন করে আসছিল প্রায় ৫০-৬০টি পরিবার। কিন্তু ২০২৫ সালে এসে অবশেষে আদালতের চূড়ান্ত নির্দেশে জমির মালিক দখল ফেরত পেলেন।

বাড়িঘর ভাঙা শুরু হতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন মহিলারা। তাদের অভিযোগ, “আমাদেরকে আগে থেকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। দেখতে চাওয়া হলেও আদালতের অর্ডার দেখানো হয়নি। হঠাৎ করেই পুলিশ এসে বলে, জিনিসপত্র বাইরে নিয়ে যাও, বাড়ি ভেঙে ফেলা হবে। এত বছর ধরে যে ঘর আমরা গড়ে তুলেছি, তা মুহূর্তে ভেঙে গেল।”

এক মহিলা ভাঙা গলায় বলেন, “আমরা ৫০ বছর ধরে এখানে থাকি। সন্তানরা এখানে বড় হয়েছে, পড়াশোনা করছে। আজকে মাথার উপর থেকে ছাদ সরে গেল। আমরা কোথায় যাব? কোর্টের কর্মকর্তাদের কি কোনো মায়া মমতা নেই? অন্তত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করুক।”
বর্তমানে উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলির দাবি, সরকার যেন পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে। কারণ তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই জায়গাতেই বসবাস করছেন। ভিটেমাটি ছাড়া হঠাৎ করে কোথায় আশ্রয় নেবেন, তা ভেবে পাচ্ছেন না কেউই।
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর