নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব বর্ধমান - দলীয় দ্বন্দ্বের আঁচে ফের সরগরম মন্তেশ্বর। রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী সোমবার সভামঞ্চ থেকে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বললেন, তাঁকে সরানো যাবে না, বরং তাঁর জায়গায় হাজারো সিদ্দিকুল্লা তৈরি হবে। যদিও এর পাল্টা জবাব দিয়েছে বিরোধী শিবির।
সূত্রের খবর, দুমাস আগে কুসুমগ্রামে দলীয় কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন মন্ত্রী। সেই স্মৃতি টেনে তিনি বলেন, চাইলে সেদিনই প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারতেন, কিন্তু সংযম দেখিয়েছিলেন। সোমবার মন্তেশ্বরে শারদোৎসবের আগে প্রায় ৬০০ জনকে বস্ত্র এবং পড়ুয়াদের স্কুলব্যাগ বিতরণও করেন তিনি। পাশাপাশি, এদিন মঞ্চ থেকে দলের ভেতরের বিরোধীদের উদ্দেশ্যে সিদ্ধিকুল্লা বলেন, ' আমাকে মারলে হাজার সিদ্দিকুল্লা তৈরি হবে। দলের সঙ্গে জুলুমবাজি করলে জনগণ উপড়ে ফেলবে। সিপিএমকে ফেলতে পারলে, একখণ্ড নেতাকে ফেলতে সময় লাগবে না।'
তিনি আরও বলেন, ' আমার এক ডাকে এখানে ১ লক্ষ লোক জড়ো হয়ে যাবে। কিন্তু আমি তা করবো না, যা করার দলের লোকেরাই করে দেবে। নিজেকে সংযত না করলে নিজের ক্ষতি হবে। মানুষ কারোর পোশাক দেখে ভোট দেয়না। ভোট দেয় মুখ্যমন্ত্রীর আদর্শ আর '
দলীয় দ্বন্দ্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ' কলকাতায় তো মমতা আছে কাটোয়ায় রবি চ্যাটার্জী আছেন, সেখানে তো গোলমাল হয় না। তাহলে মন্তেশ্বরেই কেন মস্তানি হবে?নিজেদের মধ্যে শিক্ষা থাকলে তাহলে আর কেউ কারোর গাড়ি ভাঙচুর করে না। শিক্ষিত মানুষদের অস্ত্র-হাতিয়ার বা ভাঙচুরের প্রয়োজন পড়ে না।'
সম্পূর্ণ ঘটনা প্রসঙ্গ বিজেপি জেলা সম্পাদক দেবজ্যোতি সিংহ রায় পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ' সম্পূর্ণ ঘটনাটিই আমি শুনেছি। তৃণমূলের জেলা সভাপতির ইন্ধনেই এই সব হচ্ছে। তা না হলে একজন সবজি বিক্রেতা রাতারাতি কোটি টাকার মালিক হয়ে গেল। কিন্তু এখনও সে মস্তানই আছে। যার জন্য তার দলেরই বিধায়কের সঙ্গে এই ধরনের ব্যবহার করতে পারছে। ২০২৬ সালে শাহজাহানের মতন এরাও সব জেলে যাবে।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়