নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা - শরৎশেষের এই সময়টা যেন এক বিশেষ উষ্ণতায় মোড়া। দুর্গা বিদায়ের পর বাঙালির ঘরে ফেরে আর এক আনন্দ, কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো। হিন্দু ধর্মে বিশ্বাস, এই পূর্ণিমা রাতে মা লক্ষ্মী পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়ে ঘুরে ঘুরে দেখেন, কে জেগে তাঁকে আরাধনা করছে। তাই এই রাতেই “কে জাগে”, সেই অর্থেই এই পূজোর নাম কোজাগরী।
রাজ্যের শহর থেকে গ্রাম, সর্বত্রই আজ উৎসবের আমেজ। সেজে উঠেছে ঘরবাড়ি, উঠোনে আঁকা হয়েছে রঙিন আল্পনা, সাজানো ধানের শিষ, পদ্মফুল ও শঙ্খে। সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয় পূজার্চনা, মা লক্ষ্মীর পাদপদ্মে ধান, চাল, ফল, মিষ্টি আর নবান্নের প্রতীকী উপাদান নিবেদন করা হয়।
অর্থ ও সমৃদ্ধির দেবী হিসেবে মা লক্ষ্মীর পূজা শুধু আর্থিক প্রাপ্তির জন্য নয়, সংসারে শান্তি, ঐক্য ও সচ্ছলতার প্রতীক হিসেবেও দেখা হয়। পুজোর রাত্রে অনেকে সারারাত দীপ জ্বেলে রাখেন, বিশ্বাস, আলোয় মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ এসে মেলে।

বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে গৃহস্থের ঘর, সর্বত্রই আজ আনন্দ ও ভক্তির রেশ। বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কীর্তন, মিষ্টান্ন দোকানগুলোতেও আজ বিশেষ রকমের ভিড়।

কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো শুধুমাত্র ধর্মীয় আচার নয়, এটি বাঙালির বিশ্বাস, পরিশ্রম ও শুভবুদ্ধির প্রতীক। এই রাতে মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদে প্রতিটি ঘরে আলো ছড়াক, মুছে যাক অন্ধকার, এই প্রার্থনাতেই ভরে থাকে বাংলার প্রতিটি প্রাণ।
মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে
মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি আক্রমণ অর্জুন সিংয়ের
আরও বড় আন্দোলনের হুমকি বিরোধীদের
বৈধ নাগরিক হয়েও ডিটেনশন ক্যাম্পে বীরভূমের ৫ যুবক
স্থানীয়দের আশ্বাস উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর
তদন্তে নেমেছে অশোকনগর থানার পুলিশ
সীমান্ত অনুপ্রবেশে বাড়ছে উদ্বেগ
অতিরিক্ত কাজের চাপে অসুস্থ দাবি পরিবারের
বিশালাকার মিছিল নিয়ে ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন
৯ ডিসেম্বর কোচবিহারে মুখ্যমন্ত্রীর সভা
আহত হাতিটিকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে বন দফতরের কর্মীরা
সরকারকে ইমেল করা হলেও জবাব পায়নি বলে দাবি পরীক্ষার্থীর
ঘটনার তদন্ত শুরু পুলিশের
শাসক দলের কৰ্মসূচিতে যোগদান না করায় মারধরের অভিযোগ
বিশেষ চেকিংয়ের পরেই কেন্দ্রে প্রবেশাধিকার পেয়েছেন পরীক্ষার্থীরা
হামলার কথা স্বীকার ইজরায়েলের
সতর্কতামূলক পদক্ষেপ এয়ারবাসের
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
বিবৃতি জারি ট্রাম্প প্রশাসনের
আপাত বন্ধ স্কুল-অফিস