নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - SIR আতঙ্কে ফের মর্মান্তিক ঘটনা। শেওড়াফুলিতে উদ্ধার যৌনকর্মীর ঝুলন্ত দেহ। শুক্রবার সকালে ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ, ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় দেশ ছাড়ার আতঙ্কে ভুগছিলেন। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
সূত্রের খবর, ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির শেওড়াফুলি স্টেশন লাগোয়া গড়বাগান যৌনপল্লিতে। মৃতার নাম বিতি দাস, বয়স ৪৯। শুক্রবার সকালে তাকে একাধিকবার ঘুম থেকে উঠার জন্য ডাকা হয় কিন্তু তার কোনো সাড়া শব্দ পাওয়া যায়নি। পরে লোকজন এসে দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয় ময়নাতদন্তে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান চাঁপদানির বিধায়ক তথা হুগলী শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি অরিন্দম গুঁইন, বৈদ্যবাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পিন্টু মাহাতো ও স্থানীয় কাউন্সিলর।
ঘটনা প্রসঙ্গ অরিন্দম গুঁইনের দাবি, 'মৃত্যুর ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তার নাম ছিল না সেটা নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কে ছিলেন তিনি। তবে আমাদের নেত্রী বলেছিলেন একজনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে আমরা দিল্লিতে প্রতিবাদে নামবো। এখানের মানুষকে আমরা আশ্বস্ত করেছি কোনো রকম সমস্যা হলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে। উনি দীর্ঘদিনেরই বাসিন্দা ছিলেন এখানে।'
যদিও অপর যৌনকর্মীর দাবি, 'গতকাল রাতে ওর স্বামীর সঙ্গে ঝামেলা হয়। এরপর তার ছেলেকে নিয়ে স্বামী চলে যায়। তবে অনেকদিন ধরে তার ভোটার তালিকায় নাম ছিল না বলে আতঙ্কে ছিল। সকালে দেখা যায়, ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে উদ্ধার করে দেহ।'
অপরদিকে, SIR আতঙ্কে মৃত্যুর দাবি মানতে নারাজ বিজেপি। স্থানীয় বিজেপি নেতা হরি মিশ্র বলেন, 'যে যৌনকর্মী মারা গেছে তার জন্য তৃণমূল নেতা বলছেন SIR আতঙ্কে মৃত্যু হয়েছে। এতটা নিশ্চিত হয়ে কি করে বলছে সেটা উনিই জানে। এখন তৃণমূল নেতারা সমস্ত হাসপাতালে সুইসাইড নোট হাতে করে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কোনো মৃত্যু হলেই সেটাকে SIR বলে চালিয়ে দিচ্ছে। একটা নির্লজ্জ সরকার হয়ে দাঁড়িয়েছে।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়