নিজস্ব প্রতিনিধি , পশ্চিম মেদিনীপুর - যাতায়াতের একমাত্র সাঁকোকে টেন্ডারে দিয়ে বেআইনিভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে চন্দ্রকোনায়। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। ভোটের আগে বিষয়টিকে হাতিয়ার করেছে বিরোধীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনোহরপুর-১ ব্লকে অবস্থিত শিলাবতী নদী এই অঞ্চলকে কার্যত দু'ভাগে ভাগ করেছে। নদীর ওপর গাংচা ঘাট, রাসবিহারী ঘাট-এই দুই স্থানে রয়েছে কাঠের সাঁকো। প্রতিদিন স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে কৃষক, শ্রমিক সব মিলিয়ে কয়েকশো মানুষ এই পথ দিয়ে যাতায়াত করেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সম্প্রতি সাঁকোগুলি রক্ষণাবেক্ষণের নামে টেন্ডার ডেকে ব্যক্তি মালিকানার হাতে তুলে দিয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েত। এর জেরে প্রতিবার পারাপারের জন্য মাথাপিছু ৫ টাকা করে দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। গাঁটের কড়ি খরচ করে যাতায়াত করতে বাধ্য হওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন গ্রামবাসীরা।
স্থানীয় বাসিন্দা তপন পাল জানান, 'আমি মেশিন টলিতে প্রতিদিন ৮-১০ বস্তা ধান নিতে সারা বছরই যাতায়াত করি। যতবার পার হই, ততবার টাকা চাইছে। আমরা সাধারণ মানুষ, দিনে ৬০-৭০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তাছাড়াও ভোট দিচ্ছি, ট্যাক্স দিচ্ছি তারপরও টাকা কেন দেব? আমাদের একটাই দাবি-বিনা পয়সায় যেন সবাই যাতায়াত করতে পারে'।
CPIM-এর এক কর্মী জানান, 'তৃণমূল যেখানে ক্ষমতায় থাকবে, সেখানেই দুর্নীতি হবে। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় তৈরি সাঁকো দিয়ে পারাপার করতে তাঁদের কাছেই টাকা চাওয়া হচ্ছে। গোটা এলাকায় রাস্তাঘাটের বেহাল দশা। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাব। নাহলে আরও ক্ষতি হতেই থাকবে'।
অন্যদিকে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রাম কোটাল বলেন, 'সারাবছর সাঁকোটি ব্যবহার করা হচ্ছে। রক্ষণাবেক্ষণের খরচ চালানোর জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এতে এলাকার মানুষই পরিষেবা পাবেন। সরকার পক্ষ থেকে অর্থ পেলে টাকা নেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হবে। বিরোধীদের কাজই হল কটাক্ষ করা, সেদিকে কান দেওয়া উচিত নয়'।
ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়