নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী ( আরামবাগ ) - নির্দিষ্ট ভাড়া দেওয়ার পরও যাত্রীদের হাতে উঠছে না টিকিট! পরিবহন দপ্তরের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও একাধিক বাসে চলছে এই অনিয়ম। কনডাক্টররা ভাড়া নিলেও টিকিট দিতে নারাজ। যাত্রীদের অভিযোগ, এভাবে নিয়ম ভেঙে অবৈধভাবে টাকা আদায় করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বন্দর থেকে বর্ধমানগামী ‘রক্ষাকালী’ নামের এক বাসে এক যাত্রী ভাড়া দেওয়ার পর টিকিট চাইলে কনডাক্টর সাফ জানিয়ে দেন, “টিকিট দেওয়া হবে না।” শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। এক যাত্রী বলেন, “এটা আমার অধিকার, পরিবহন দপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী টিকিট দিতে হবে।” তবুও কনডাক্টরের কোনো সাড়া নেই। এরপরই বাসের ভেতরে অন্য যাত্রীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন।

প্রতিদিন অফিসযাত্রী থেকে পড়ুয়া, অসংখ্য মানুষ এই রুট ব্যবহার করেন। তাঁদের বক্তব্য, শুধু একদিন নয়, প্রায় প্রতিদিনই একই ঘটনা ঘটে। নির্দিষ্ট ভাড়া দিতে হয়, কিন্তু টিকিট চাইলেই কনডাক্টরের অজুহাত, “টিকিট নেই”, “নতুন রুট”, বা “আজ আর টিকিট ছাপা হয়নি।” যাত্রীদের অভিযোগ, এতে গোপনে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

অবশেষে বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে যাত্রী ঘটনাটি জানান বাসের দায়িত্বে থাকা শেখ সফিকুল ইসলাম ওরফে মেজকাকে। পরে বাসমালিক অমল মোকাম্বি নিজে উপস্থিত হন। সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, “অভিযোগ সত্যি। নতুন রুটে চারটি বাস নামানো হয়েছে, কিন্তু টিকিটের ব্যবস্থা করা হয়নি। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা এখন তুঙ্গে। যাত্রীদের মতে, নিয়ম মেনে ভাড়া নেওয়া হলেও টিকিট দেওয়া না হলে সরকারের উপর থেকে বিশ্বাস হারিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের নীরবতায় বেআইনি এই কাজ যেন আরও উৎসাহ পাচ্ছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কখন কঠোর ব্যবস্থা নেবে পরিবহন দপ্তর? টিকিট না দিয়ে কি অতিরিক্ত আয়ের চেষ্টা চলছে? যাত্রীদের নিরাপত্তা ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে কবে অবশেষে উদ্যোগ নেবে প্রশাসন?
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর