নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব মেদিনীপুর - সামনেই ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই প্রচারের জন্য জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজনৈতিক দল গুলি। এরই মাঝে নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন দিশা সহ গতি আনতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সম্প্রতি তাদের মেগা কর্মসূচির মাধ্যমেই ঘোষণা করা হয় বিষয়টি।
সূত্রের খবর , ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের রাজনীতিতে এক নতুন দিশা সহ গতি আনতে চলেছে। সম্প্রতি ঘোষিত মেগা কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে ঘাসফুল শিবিরের এক প্রবল রাজনৈতিক অভিযান , যা ছড়িয়ে পড়বে রাজ্যের প্রতিটি কোণে , প্রতিটি স্তরে।দলের তরফে জানানো হয় , এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হল - জনসংযোগকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছানো। 'দুয়ারে সরকার' , 'পাড়ায় সমাধান' - এর মতো জনমুখী প্রকল্পগুলিকে সামনে রেখে মানুষের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই কর্মসূচির রূপরেখা তৈরি করেছেন। জেলা থেকে বুথ স্তর পর্যন্ত প্রতিটি তৃণমূল কর্মীকে জানানো হচ্ছে - এবার আর বিশ্রামের অবকাশ নেই। প্রতিটি এলাকায় চলবে রোড শো , জনসভা , কর্মিসভা সহ ব্যাপক ক্যাম্পেইনিং। তৃণমূল নেতৃত্বের স্পষ্ট বার্তা - আগামী নির্বাচনে কেবল জয় নয় , বৃহৎ ব্যবধানে জয় ছাড়া অন্য কিছুই গ্রহণযোগ্য নয়। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যেমন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় , সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় , পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্য মন্ত্রীরা নেতৃত্বে থাকবেন এই মেগা উদ্যোগের। মহিলা , যুব , শ্রমিক সহ ছাত্র সংগঠনকেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত করা হয়েছে এই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে।
এই কর্মসূচি শুধু জনসংযোগ নয় , বিরোধীদের ভুলনীতি সহ কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে জবাবদিহি তৈরির কৌশল হিসেবেও দেখা হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে স্পষ্ট বার্তা - বাংলার উন্নয়ন রোখার বিরুদ্ধে লড়াই চলবে ময়দানে , মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে , তৃণমূলের এই উদ্যোগ রাজ্যের রাজনৈতিক আবহে এক নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করবে। একদিকে জনসংযোগ , অন্যদিকে বিরোধীদের বিরুদ্ধে সজাগতা। এই দ্বিমুখী কৌশলের সফলতা নির্ভর করবে আগামী দিনগুলির জনমতের উপর।
কাঁথি পৌরসভার কাউন্সিলর তথা তৃণমূল নেতা অতনু গিরি এপ্রসঙ্গে জানান , "২৬ সালের বিধানসভার নির্বাচনে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে জয় লাভ করানোর জন্য আমরা সব রকমের কর্মসূচি পালন করবো। আমাদের পশ্চিমবঙ্গের মানুষেরা মুখ্যমন্ত্রীকে যে জায়গায় বসিয়েছেন , তাতে চতুর্থ বারের জন্য মমতা বন্দোপাধ্যায়ের জয় নিশ্চিত। যারা বাংলা নিয়ে রাজনীতি করে , তাদের উদ্দেশ্য একটাই , এই রাজ্যের সম্মান সহ সংস্কৃতিকে আঘাত করা। তৃণমূল সেই আক্রমণের বিরুদ্ধে ঢাল হয়ে দাঁড়াবে।”
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি জমা দেয় ছিটমহলবাসীরা
নির্বাচন কমিশনসহ বিজেপিকে ধিক্কার শাসক দলের
সভামঞ্চ থেকে কড়া বার্তা বিরোধী দলনেতার
দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই ক্ষুদ্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত গৌতম সাহা
রাজ্যজুড়ে পরিবর্তন যাত্রা বিজেপির
জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ধৃতদের
তৃণমূলের বিরুদ্ধে তুষ্টিকরণের রাজনীতি করার অভিযোগ শাহের
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর