নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে একাধিক জেলায় প্রতিবাদে সরব গেরুয়া শিবির। একইরকম ভাবে রবিবার ইন্দাস থানার সামনে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি। বিক্ষোভে শামিল হন ইন্দাসের বিজেপি বিধায়ক নির্মল কুমার ধাড়া। তবে আন্দোলনের ধরন ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।
শনিবার রাতে পুরুলিয়া থেকে দলীয় কর্মসূচি সেরে ফেরার পথে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা রোড এলাকায় শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভে নামেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তারই অঙ্গ হিসেবে রবিবার ইন্দাস থানার সামনে রাস্তায় বসে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়। তবে এদিন বিজেপি কর্মীদের প্রতিবাদের ধরন ছিল সম্পূর্ণ অন্যরকম।
টায়ার জ্বালানোর পাশাপশি এদিন বিজেপি কর্মীদের ভিন্নভাবে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়। হাতে চুড়ি নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি কর্মীরা। বিক্ষোভকারীদের দাবি, 'একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রীকে পুলিশ সুরক্ষা দিতে পারে না। চুড়ি পড়ার মতনই কাজ করেছে পুলিশ। আজকে চুরি দেখিয়েছি পরের দিন এরম কিছু ঘটনা ঘটলে চুড়ি পরিয়ে দিয়ে যাবো পুলিশকে। এই পুলিশ মমতার চিটচাটা হয়ে গেছে। দিনের পর দিন নারীরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছে তখন এই পুলিশরা কি করে?'

বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত বিধায়ক নির্মল কুমার ধাড়া বলেন, ' পুলিশ আজ যদি সক্রিয় থাকতো তাহলে এই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটতো না। সাধারণ মানুষ থেকে বিরোধী দলনেতা কেউই পুলিশের উপর ভরসা রাখতে পারছে না। পুলিশের সামনে বিরোধী দলনেতাকে এইভাবে হেনস্তা করা হয় আর পুলিশ সেখানে দাঁড়িয়ে মজা দেখছে। আর তাই ওরা চুড়ি পড়ারই যোগ্য।'
অন্যদিকে, বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের উদ্দেশ্যে চুড়ি দেখানোকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনায় সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। স্থানীয় তৃণমূল নেতা বলেন, ' বিজেপির কাজই হচ্ছে বাংলার সংস্কৃতিকে ছোটো করে দেখানো। মহিলারা চুড়ি পরে মানেই তারা দুর্বল এটা নয়। চুড়িটা মহিলাদের একটা অলঙ্কার। এই চুড়ি দীর্ঘদিন ধরে বাঙালির বিশ্বাস, আস্থা। কিন্তু এসব বিজেপি বোঝেনা। বিজেপির এই ধরনের কাজ বাংলার মানুষ কোনো ভাবেই মেনে নেবে না।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়