নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - SIR আতঙ্কে রাজ্যে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনায় উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। তাহেরপুর থানার কালীনারায়নপুরে SIR আতঙ্কে মৃত্যু হয় শ্যামল কুমার সাহার। বৃহস্পতিবার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। পরিবারের পাশে থেকে কেন্দ্রীয় সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য।
নদীয়ার কালীনারায়নপুর পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণচকপুর মণ্ডলপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন শ্যামল কুমার সাহা। দিন কয়েক আগে আচমকা মৃত্যু হয় তার। পরিবারের দাবি, SIR নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আতঙ্কে ছিলেন। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন, প্রায়ই মানসিক অবসাদে ভুগতেন। অবশেষে সেই আতঙ্ক থেকেই ব্রেইন স্ট্রোক করে মৃত্যু হয় তার।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গঠিত সদস্যদের মধ্যে দেবাংশু ভট্টাচার্য বৃহস্পতিবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। উপস্থিত ছিলেন দলের নদীয়ার জেলা সভাপতি ও অন্যান্য জেলা নেতৃত্বও। শ্যামলবাবুর পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা জানানোর পাশাপাশি তাদের হাতে কিছু আর্থিক সাহায্য তুলে দেন দেবাংশু।
এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বিজেপি ও কেন্দ্র সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন। তার বক্তব্য , 'এই যে বাংলায় এতগুলো মানুষের প্রাণ গেল সেটার জন্য দায়ী একমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার। ওপর থেকে তো বলে ছেড়ে দেয় কিন্তু তার প্রভাবটা সাধারণ মানুষকে ভুগতে হয়। এটা সম্পূর্ণ ভাবে রাষ্ট্রীয় হত্যা। আর এর জন্য অমিত শাহ দায়ী। এতগুলো মানুষ যে মারা গেলেন সেটা কি ফিরিয়ে দিতে পারবে? NRC র সময়ও একই জিনিস হয়েছিল নোটবন্দির ক্ষেত্রেও এক ব্যাপার আর এখন SIR। কত মানুষের রক্ত পেলে এরা শান্ত হবে জানা নেই।'
তিনি আরও বলেন, ' আজ যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা শুনে বাংলায় SIR টা বন্ধ করে দিতো তাহলে এতগুলো মানুষের প্রাণ যেতো না। এরা একটা কিছু নির্দেশ দিয়ে দেয় ভাবে হয়ে যাবে। কিন্তু সাধারণ মানুষের ওপর দিয়ে যে মানসিক অত্যাচারটা হয় সেটা ওনারা বুঝবেন না। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে যতটা সম্ভব ওনাদের সাহায্য করেছি। আগামী দিনেও দল ওনাদের পাশে থাকবে।'
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়