নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - সিএএ ও এনআরসি নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন মতুয়া নেত্রী মমতা বালা ঠাকুর। একের পর এক আইন এনে মতুয়াদের হাতের গোলাম বানানোর অভিযোগ তুললেন তিনি। বললেন, উদ্বাস্তু মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তাঁর কড়া আক্রমণ ,”এই আইন মানুষের জীবন দুর্বিষহ করছে।”

সূত্রের খবর, রাজ্যসভা সাংসদ ও মতুয়া নেত্রী মমতা বালা ঠাকুর মনে করিয়ে দেন, ২০০৩ সালে অটল বিহারী বাজপেয়ীর আমলে যে ‘কালা আইন’ তৈরি হয়েছিল, তার প্রতিবাদে ঠাকুরবাড়ির বড়মা বীণাপাণি ঠাকুর ও তাঁর স্বামী অনশনে বসেছিলেন। তিনি বলেন, “আমার শ্বশুর উদ্বাস্তুদের অধিকার নিয়ে দেশভাগের সময় থেকেই লড়েছেন। সেই লড়াই আমিও চালিয়ে যাব। যতদিন বেঁচে আছি, এই আন্দোলন চলবে।”

তিনি আরও জানান, বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় ইতিমধ্যেই প্রতিবাদ কর্মসূচি চলছে। বড়মা বীণাপাণির জন্মউৎসব উপলক্ষে ১৯ অক্টোবর রাত বারোটার পর কলকাতায় বৃহত্তর আন্দোলনের তারিখ ঘোষণা হবে। প্রয়োজনে দিল্লিতেও যাবেন তাঁরা।
পরিবারের সদস্য বিজেপি নেতা শান্তনু ঠাকুরের প্রসঙ্গ টেনে অপমানের সুরে মমতা বালা বলেন, “মতুয়া ধর্মের বিভীষণ তিনি। আরএসএস ও বিজেপি তাকে দিয়ে মতুয়া সম্প্রদায়কে ধ্বংস করতে চাইছে। কিন্তু মতুয়ারা কোনও ফর্ম ফিলাপ করবে না।” তাঁর দাবি, বিজেপি ভোটের জন্য ছলচাতুরিতে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে হিন্দু কার্ড খেলছে, কিন্তু এই আইনে মতুয়া ধর্মের কোনও উল্লেখ নেই।

কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি আরও বলেন, “হিন্দু না মুসলিম বোঝাতে জামা প্যান্ট খুলতে হচ্ছে, এ কোন স্বাধীন দেশ? বাংলা ভাষা বললেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। ইংরেজদের তাড়ালেও আমরা আজ পরাধীন। বিজেপি কি ঠিক করবে আমরা কী খাব, কোন ভাষা বলব?”
মমতা বালা অভিযোগ করেন, বিজেপি মন্ত্রীরা নিজ নিজ বাড়িতে ফর্ম ফিলাপের ক্যাম্প করে বিপুল পরিমাণ টাকা তুলছেন, যার হিসেব নেই। তাঁর হুঁশিয়ারি, “আগামী বিধানসভা ভোটে মানুষ এর জবাব দেবে। কেন্দ্র যদি নাগরিকত্ব নিয়ে নিঃশর্ত আইন না আনে, তবে নেপালের মতো পরিস্থিতি ভারতে তৈরি হবে! মোদী, অমিত শাহ এটা জেনে রাখুন।”

মতুয়া সম্প্রদায়কে একজোট থাকার ডাক দিয়ে তিনি শেষ বার্তা দেন, “একজনেরও নাগরিকত্ব বাতিল হলে আমরা সবাই তার পাশে থাকব। মানুষকে ভয় দেখিয়ে চুপ করানো যাবে না, এই লড়াই আমরা শেষ পর্যন্ত চালাব।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়