নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - রাতভর থেকে অবিরাম বৃষ্টি। জেলাজুড়ে আজ শুধুই জলমগ্নতা। শহর, উপনগর ও গ্রামাঞ্চলের রাস্তাঘাট এক অন্যরকম ছবি দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের পথঘাটে ভোগান্তি এখন চরমে।

সূত্রের খবর, কয়েকঘন্টা টানা ভারী বৃষ্টির পর উত্তরপাড়া এলাকা থেকে শুরু করে হুগলী জেলার বিস্তীর্ণ জায়গা এখন জলের নিচে। শহর, গ্রাম, মফস্বল সব জায়গার রাস্তাঘাটে হাঁটু সমান বা তারও বেশি জল জমে আছে। সকাল থেকে রাস্তায় গাড়ি প্রায় নেই, ফলে অনেক জায়গায় লোকেরা মাইলের পর মাইল জল ঠেলে হাঁটছেন।

এদিকে রেললাইনে জল উঠে যাওয়ায় বেশিরভাগ লোকাল ট্রেন বন্ধ। হাওড়া, বর্ধমান, কাটোয়া, নৈহাটি সব দিকের যোগাযোগ প্রায় বন্ধ। বাস ও অটোও খুব কম চলছে। ফলে অফিসযাত্রী ও ছাত্রছাত্রীদের বিপদ বেড়েছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে আধ ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত হাঁটছেন। জিটি রোড ধরে লিলুয়া, কলকাতা বা হাওড়ার দিকে কেউ গাড়ি খুঁজছেন, কেউ সরাসরি পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছেন।

এই জলাবদ্ধতার কারণে অফিস, স্কুলে যাওয়া দুষ্কর হয়ে উঠেছে। দোকানপাটেও ভিড় কম। অনেকের ঘরবাড়িতেও জল ঢুকে গেছে। নোংরা জল জমে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, মশার উপদ্রবও বাড়ছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ড্রেন পরিষ্কার না থাকার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, জল তোলার পাম্প বসানো হচ্ছে এবং দ্রুত রাস্তায় জমা জল নামানোর কাজ চলছে।

স্থানীয় ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের কর্মী দীপক কুমার রায় জানান, প্রায় ৪০ মিনিট ধরে হেঁটে যাচ্ছি , গাড়ি বা টোটো অটো কিছুই আসছেনা, জানিনা কিভাবে লিলুয়া পৌঁছব। আপাতত হেঁটে বালির দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছি।”

কোন্নগর স্টেশনের বেশিরভাগ লোকাল স্টেশনেই দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘন্টা। ফলে অফিসযাত্রীদের সর্বত্র নাজেহাল হতে হচ্ছে। কোন্নগরের এক অফিসযাত্রী অনির্বাণ চ্যাটার্জি জানান, সকাল ৮ টা থেকে স্টেশনে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করেছি। ঘড়ির কাঁটায় ১০ টা বাজলেও ট্রেন ছাড়ার কোনও আশা দেখছি না। সবচেয়ে বেশি হয়রানির মুখে বৈদ্যবাটি-ভদ্রেশ্বর লাইনের যাত্রী। কোন্নগরে এইভাবে ট্রেন দাড়িয়ে রয়েছে। বুঝতে পারছিনা বাড়ি কিভাবে ফিরব বা অফিস কিভাবে যাব।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়